শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৫ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মায়ের সামনে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা, ‌‌‘আমার ছেলে আমার দিকে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক তরুণকে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নয়ানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের নাম জান্নাত হোসেন (২৭)। তিনি গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।
 
স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে নয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা শাহিন রাঢ়ির দুই মাদকাসক্ত ছেলে তারেক (৩২) ও রিয়াদের (২৭) মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। সেই দুই ভাইয়ের ঝগড়া মিটিয়ে দেন জান্নাত হোসেন। এর কিছুক্ষণ পর জান্নাতকে ওই মাদকাসক্তরা তাদের ঘরে দুই ভাইয়ের বিচারের কথা বলে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। অভিযুক্তরা হাতে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে জান্নাতকে গুরুতর জখম করেন।

পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা জান্নাতকে উদ্ধার করে স্থানীয় হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মারিয়া মোস্তারি বলেন, সকাল ১১টার দিকে ওই তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা তাকে মৃত ঘোষণা করি। হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছেলে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। তাকে ডেকে নিয়ে যায় মাদকাসক্ত দুই ভাইয়ের ঝগড়া মেটাতে। আমি পেছনে পেছনে যাই। ঘরে যেতে না যেতেই ওরা আমার ছেলেকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। আমার ছেলে আমার দিকে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল, আমি এই শোক কেমন করে সইব।

নিহতের বড় ভাই রাজু বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে ওদের সঙ্গে আমাদের বিরোধ ছিল। জোরপূর্বক আমাদের জায়গা দখল করে ঘর তুলে রাখছে। আমার ভাইকে যখন কোপায় তখন তাঁরা কাউকে ঘরে ঢুকতে দেয়নি।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, ‘দুই ভাইয়ের মারামারির মধ্যে গিয়ে দায়ের কোপে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ থেকে ওই তরুণের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়