শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৫:২৭ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিচারকের স্ত্রীকে সিলেট গিয়েও উত্ত্যক্ত করেন লিমন, করা হয় জিডিও

রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার লিমন মিয়া বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীর পিছু নিয়ে সিলেট গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে উত্ত্যক্ত করায় তার বিরুদ্ধে সিলেটের জালালাবাদ থানায় জিডিও করেছিলেন ভুক্তভোগী। লিমন সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সেখানে চার বছর চাকরির পর চাকিরিচ্যুত করা হয়েছিল।

লিমন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মদনের পাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এইচএম ছোলায়মান হোসেন শহীদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার কল পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লিমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

কিন্তু বিচারকের স্ত্রী লুসী এ বিষয়ে মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিমূলে লিমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির। তিনি বলেন, ‘জজ স্যারের মেয়ে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

মেয়েকে দেখতে মূলত বিচারকের স্ত্রী সিলেট এসেছিলেন। তখন লিমন তার পিছু নিয়ে সিলেট ছুটে আসে এবং তাদেরকে ডিস্টার্ব করে। এক পর্যায়ে তারা ট্রিপল নাইনে কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হন। তবে কী কারণে জজ স্যারের স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝামেলা ছিল তা পরিস্কার নয়।’

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকার ভাড়া বাসায় খুন হন রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন।

হামলার সময় তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসীও আহত হন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন।

পরিবার সূত্রে জানায়, পরিবারের লোকজনকে ১০ দিন আগে হত্যার হুমকি দিয়েছিল লিমন মিয়া নামের ওই ব্যক্তি। গত ৬ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমন মিয়ার বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী লুসী। জিডি করার সাত দিনের মাথায় বিচারকের বাসায় ঢুকে ছেলেকে হত্যা ও লুসিকে জখম করে। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়