শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:২১ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে মাচায় লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী কুড়িগ্রামের কৃষক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামে অনেক স্থানে পতিত জমি এখন সবুজে ভরে উঠছে। মাচায় ঝুলছে অসংখ্য লাউ কোনোটা কচি, কোনোটা বিক্রির উপযুগি। ক্ষেতজুড়ে দুলছে সবুজ, আর কৃষকের মুখে ফুটছে তৃপ্তির হাসি। একসময় অনাবাদি পড়ে থাকা জমিতে এখন ফলছে আশার ফসল লাউ। একসময় জমি অনাবাদি পড়ে থাকত, সেখানে এখন দুলছে সবুজের ছায়া। লাউয়ের মাচা শুধু ফলনের নয়, কুড়িগ্রামের কৃষকের মুখে এনে দিয়েছে জীবনের হাসি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর কুমরপুর এলাকার কৃষক কামরুজ্জামান। মাত্র ১৫ শতক জমিতে মাচায় লাউ চাষ করে পেয়েছেন ভালো ফলন। তার চোখে এখন নতুন স্বপ্ন, আরও বড় পরিসরে চাষ করবেন আগামী মৌসুমে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা আয়, আগে মাঠে লাউ চাষ করলে পোকামাকড়ের আক্রমণ হতো, ফলনও কম হতো। এখন মাচায় চাষ করে খরচ কম, ফলনও ভালো। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে উন্নত জাতের বীজ ও মাচা পদ্ধতিতে চাষ করায় পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেক অংশে হ্রাস পেয়েছে। ফলে প্রতিটি গাছে ধরছে প্রচুর লাউ, আর বাজারে কৃষকরা দামও পাচ্ছেন ভালো।

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের তরুণ কৃষক আশিক বলেন, আমি ২৪ শতক জমিতে লাউ চাষ করেছি। খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত লাউ বিক্রি করছি প্রায় ৫০ হাজার টাকার। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার আমার ফলন ভালো হয়েছে।

লাভবান হওয়ার এদের অনুসরণে গ্রামের আরও অনেক কৃষক এখন লাউ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কেউ নিজের বাড়ির পাশে ছোট আকারে চাষ শুরু করেছেন, কেউ বা আবার পতিত জমি ব্যবহার করছেন নতুন করে লাউ চাষের লক্ষ্যে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাহিদা আফরিন বলেন, পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের লাউ চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়