শিরোনাম
◈ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে, লবণচাষীরা পাবেন ন্যায্যমূল্য ◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা ◈ জুলাইয়ে সমাহিত হবেন খামেনি, ঘোষণা ইরানের ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধে ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা আমিরাতের? ১০-২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের তথ্য প্রকাশ করল রয়টার্স

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ওসমান হাদির হত্যার পরিকল্পনাকারী কে এই বাপ্পি?

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারীর নাম প্রকাশ্যে এনেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তার নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়।

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির পরিকল্পনায় ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়।

তিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি। এ ছাড়া বাপ্পি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর ছিলেন।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শ্যুটার ফয়সার করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ এবং তার সহযোগীকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং অস্ত্র ও গুলির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও বার্তা নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভিডিও বার্তা দিতেই পারে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। হাদি মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়