শিরোনাম
◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:২১ সকাল
আপডেট : ২০ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেঁয়াজের পাশাপাশি বেড়েছে আলুর দাম, স্থিতিশীল অন্যান্য নিত্যপণ্য

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ করেই রাজধানীর খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে ভালো মানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ ঘাটতির কারণ দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াচ্ছেন। এ অবস্থায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে দ্রুত পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি চেয়েছেন আমদানিকারকরা।

কল্যাণপুরের বাসিন্দা আসিফুর রহমান জানান, ১৫ দিন আগে যে পেঁয়াজ তিনি ৯০ টাকা কেজি দরে কিনেছিলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) তা ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের মতে, এই মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো:

দেশি মজুত শেষ: বর্তমানে বাজারে দেশি পেঁয়াজের মজুত শেষের দিকে, ফলে সরবরাহ কিছুটা কমেছে।
আমদানির অভাব: ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ নেই, কারণ বর্তমানে আমদানির অনুমতি বন্ধ।

ঐতিহ্যগত মূল্যবৃদ্ধি: ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর নভেম্বর মাসেই সরবরাহ ঘাটতির কারণে পেঁয়াজের দাম চড়া থাকে।

খুচরা বিক্রেতারা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে আগামী ডিসেম্বরে বাজারে নতুন মৌসুমের আগাম পেঁয়াজ (মুড়িকাটা পেঁয়াজ) আসতে শুরু করলে দাম কমবে। তবে নভেম্বর মাসজুড়ে দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে। গত বছরও নভেম্বরের মাঝামাঝি পেঁয়াজ ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

বর্তমান দর (প্রতি কেজি):

মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুরের ছোট পেঁয়াজ: ১০০-১১০ টাকা
পাবনা জেলার ভালো মানের পেঁয়াজ: ১২০ টাকা
এদিকে, পেঁয়াজের পাশাপাশি আলুর দামও কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম ও মোটা চালের দাম কিছুটা কমেছে।

ডিম: এক ডজন ডিম এখন ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগে ১৩০-১৪০ টাকা ছিল।
চাল: ভারত থেকে স্বর্ণা (মোটা) ও পাইজাম চাল আমদানি হওয়ায় দাম কমেছে। আমদানি করা স্বর্ণা চাল এখন ৫০ টাকা (আগে দেশি স্বর্ণা ৫৫ টাকা) এবং পাইজাম চাল ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত আছে।
মুরগি: ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজি: বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতির দিকে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০-৬০ টাকা, লাউ ৬০-৮০ টাকা এবং মুলা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীতে পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে গতকাল মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার, আগারগাঁও তালতলা বাজার ও কারওয়ান বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় অর্ধেক কম ছিল বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মাংস বিক্রেতা মো. পারভেজ জানান, শুধুমাত্র আশপাশের ক্রেতারাই আসছেন।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়