সুবর্ণা হামিদ: পঞ্চম শ্রেণী থেকে পাস করে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে লিজা বেগম ; সরকারের পক্ষ থেকে বই দেয়া হয়েছে তাকে। প্রতিটি বইয়ের সঙ্গে একটি করে খাতা নিতে হবে স্কুলে। কিন্তুএতোগুলো খাতা কেনার সামর্থ্য নেই তার পরিবারের।
লিজার মতো এ রকম অনেক শিক্ষার্থী এখন অসহায়। টাকার অভাবে খাতা, কলম, পেন্সিলসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। এতে করে শঙ্কার মধ্যে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন। যে কারণে আগামীতে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ব্যপারে আলাপকালে অভিভাবক জমিলা বেগম বলেন, আমি বিধবা নারী ; আমার দুই ছেলে মেয়ে লেখা পড়া করে। অনেক কষ্ট করে তাদের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখন মনে হয় আর লেখাপড়া করাতে পারবো না। কারণ সব কিছুর দাম বেড়ে চলেছে, এই তো কিছু দিন আগে যে খাতা আমি ২০ টাকা দিয়ে কিনেছি এখন তা ৪০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে, এতো দাম দিয়ে খাতা কলম কিনা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।
এ ব্যপারে সিলেট সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল জলিল তালুকদার বলেন, সব ধরনের শিক্ষা উপকরণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিকই,কিন্তু লেখা পড়া চালিয়ে যেতে হবে। কারণ সরকার প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ভাতা দিচ্ছে, এতে লেখাপড়ার খরচ কোন রকমে চলে যাবে বলে আমি মনে করি। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব