শিরোনাম
◈ একপাক্ষিক নির্বাচনের শঙ্কা জামায়াত- এনসিপির, কী বলছে ইসি? ◈ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল (ভিডিও) ◈ এলপিজি নিয়ে সংকট: বৃহস্পতিবার থেকে বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি ব্যবসায়ী সমিতির ◈ জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয় ◈ বি‌পিএল, সিলেট টাইটান্স‌কে হারিয়ে আবার শী‌র্ষে চট্টগ্রাম রয়‌্যালস ◈ ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার যা করেছেন, চাইলে বাংলাদেশেও করুন, কিন্তু খেলোয়াড় কেন: জম্মু–কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ◈ এবার লিটন দাসের চুক্তিও বাতিল করল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান! ◈ বড় বাজারে অর্ডার কম, নতুন বাজারেও ধাক্কা: পোশাক রফতানিতে চ্যালেঞ্জ ◈ এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত রেলকে লাইনে ফেরানোর চেষ্টা: নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ ◈ রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৪৯ দুপুর
আপডেট : ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব

জকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রীকে হেনস্তা এবং পরে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নারী হেনস্তার কোনো ঘটনা ঘটেনি। অবৈধ পরিচয় দিয়ে বহিরাগত ৩ জন নারী প্রবেশের চেষ্টা করে। আমরা প্রক্টরিয়াল বডিকে জানায়। তারা পরিচয়পত্র দিতে না পারায় পুলিশ তাদের নিয়ে যায়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নিজের পরিচয় তুলে ধরেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তার। 

তিনি বলেন, ‘আমি মাহিমা, আইন বিভাগের ১৪তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী এবং ঢাকা জজ কোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করছি। সকাল থেকেই নির্বাচন উপলক্ষে আমার স্বামী যেহেতু প্রার্থী, তাই আমিও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেই অবস্থান করছিলাম।’

তিনি জানান, জজ কোর্টের এক সহকর্মী আপুর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মঙ্গলবার তিনি কোর্টে না যাওয়ায় ওই সহকর্মী নিজেই তার সঙ্গে দেখা করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে আসেন। ফোনে তিনি জানান যে তিনি গেটের কাছে অবস্থান করছেন। কিন্তু সহকর্মী আপু মূল গেট খুঁজতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের খুব কাছাকাছি চলে আসেন। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী তাকে ‘একটা বিশেষ পরিচয়ের’ মানুষ হিসেবে আখ্যা দিয়ে হয়রানি শুরু করেন। 

মাহিমা বলেন, বিষয়টি সামনে থেকে দেখে তিনি এগিয়ে গেলে বুঝতে পারেন, যাকে হয়রানি করা হচ্ছে তিনি তার সেই সহকর্মী আপু। এ সময় তিনি জানান যে তিনিও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। কিন্তু এই পরিচয় জানার পরও কয়েকজন ছাত্রদল কর্মী বিষয়টিকে ইস্যু করে তাকে হয়রানির চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে সেখানে ‘মব’ তৈরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়।

মাহিমা অভিযোগ করে বলেন, তাকে রক্ষা করতে সামনে থাকা পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে গেলে ছাত্রদলের কিছু কর্মী এক পুলিশ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এবার কিন্তু শিবির জিতবে না, পরে কিন্তু দেখে নিবো।’ পরে নিরাপত্তার স্বার্থে নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমার অপরাধ কী? আমি কি শুধু শিবিরের এক প্রার্থীর স্ত্রী হওয়ায় মবের শিকার হবো? আজ আমাকে হয়রানি করা হয়েছে, কাল যদি ছাত্রদল জেতে তাহলে আরেকজন বোন কি একই ঘটনার শিকার হবে না—এটা প্রশ্নবিদ্ধ।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়