শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০১:৫৬ রাত
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০১:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নরসিংদীতে ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

মাহবুব সৈয়দ: চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে নরসিংদী জেলার ৬টি উপজেলার  বিভিন্ন এলাকায় ইরি- বোরো ধানের চারা বীজ লাগাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। অন্য বছরের ন্যায় এবারও ইরি-বোরোর পুরো মৌসুমে  সার ও সেচকাজের জন্য সঠিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে চলতি মৌসুমেও ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানিয়েছেন, গত বছর রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ও শৈত্য প্রবাহকারণে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় তাদের চড়া দামে চারা কিনতে হয়েছিল। জেলার ৬টি উপজেলাতে ঘুরে দেখাগেছে বিভিন্ন মাঠে বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ অনেকে ইতোমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন আবার কেউ কেউ শুরু করছেন ।এব্যাপারে  বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের কৃষক জাকির  জানান, আমরা এবার আমন ধানের দাম বালা পাইছি। তাই আগেবাগেই ইরি -বোরো ধানের চাষ শুরু করছি।

শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের দোপাথার গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদির জানান,৫১ শতাংশ জমিতে ইরি বোরো আবাদ করব।   আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর অনেক কৃষক তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জমিতে ইরি - বোরো ধানের চারা রোপণ করেও চারা বিক্রয় করতে পারবেন। এ বছর ইরি- বোরো ধান চাষে খরচ অন্যান্য বছরের চেয়ে দিগুণ  বৃদ্ধি পেয়েছে, বলে খানিকটা চিন্তিত।
পলাশ উপজেলার গজারিয়া  ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাছেদ জানান, তিনি ২ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করবেন বলে সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছেন। সার, ঔষধ, সেচ,   বৃদ্ধি এবছর  প্রতি বিঘা জমিতে চাষাবাদ বাবদ  সর্বমোট খরচ হবে ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার টাকা। ফলন ভালো হওয়াসহ দাম ভালো পাওয়া গেলে এই খরচ আর পরিশ্রম দুই সার্থক হবে।

শিবপুর উপজেলা  কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিন সাদেক বলেন, উপজেলায় এবার জমিতে ইরি -বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০  হাজার ১শ ৬৭ হেক্টর।

এছাড়াও, সরকারের পুনর্বাসন বীজ সহায়তা, প্রণোদনা, প্রকল্প ও রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৩ হাজার ৪০ টি কৃষক পরিবারকে ধানের বীজসহ বিভিন্ন ধরনের বীজ, সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের  ভারপ্রাপ্ত  উপ-পরিচালক ড.মোঃ মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ   বলেন, কোনো দুর্যোগ না থাকায় জেলায় যেমন এবার আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছিল, তেমনি ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।

কৃষকদেরও প্রত্যাশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তারা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি-বোরোর আবাদ করবেন। আমরা কৃষকদের নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছি। আমাদের লোকজন সব সময় কৃষকদের পাশে আছে।

প্রতিনিধি/এসএ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়