শিরোনাম
◈ অর্থনীতিতে ইতিবাচক ধারা, বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ◈ দূষণকারীদের রেহাই নেই, গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ ইটভাটা: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী ◈ ঢাকা মহানগরের খাসজমি বরাদ্দের সুযোগ নেই: সংসদে ভূমিমন্ত্রী ◈ কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে শিগগিরই: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ◈ ‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান ◈ 'দুই দিন পানিতে ভাসছি'- আন্দামান সাগর থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তির অভিজ্ঞতা ◈ সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সুখবর, শূন্য পদের তথ্য চেয়ে মন্ত্রণালয়ের চিঠি ◈ বিশ্বকা‌পে নেইমার ইস‌্যু‌তে ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট লুলার দ্বারস্থ ‌কোচ আনচেলত্তি ◈ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীজনদের কাছে ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধের খবরের আড়ালে উপেক্ষিত দুই লাখ টন তেলবাহী জাহাজ, ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশের আহ্বান

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ০৪:০৬ দুপুর
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৫, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১১ দাবি নিয়ে এবার মতিঝিলের রাস্তায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা 

পুঁজি রক্ষার দাবি নিয়ে মতিঝিলের রাস্তায় সমাবেশ করছেন শেয়ারবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা। বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) ব্যানারে সমাবেশ করছেন তারা।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পুরোনো ভবনের সামনে এই সমাবেশ শুরু হয়। হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন।


বিনিয়োগকারীদের ১১ দাবি

বিএসইসি’র চেয়ারম্যান ও আইসিবি’র চেয়ারম্যানকে দ্রুত অপসারণ করে নতুন যোগ্য চেয়ারম্যান নিয়োগ করে পুঁজিবাজার বাঁচাতে হবে।

বর্তমান মার্কেট পরিস্থিতির কারণে গেইন-ট্যাক্স সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে।

বর্তমান মার্কেট পরিস্থিতির কারণে অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে (তদন্ত ও অসময়ে জেড গ্রুপে প্রেরণ ইত্যাদি)।

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠানোর বিধান সংস্কার করা প্রয়োজন। কারণ কোম্পানির জেড ক্যাটাগরিতে গেলে সর্বোপরি বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

কোম্পানিগুলোকে আয়ের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে।

ব্যাংক, ফাইন্যান্স, ইন্স্যুরেন্স, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইসিবিসহ পুঁজিবাজারে তাদের যতটুকু বিনিয়োগ করার কথা তা শতভাগ কার্যকর করতে হবে।

টাস্ক ফোর্সের সংস্কারগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দ্রুত জানাতে হবে। সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে বিনিয়োগকারীকে ক্ষতিগ্রস্ত বা সর্বস্বান্ত করা হচ্ছে।

কোম্পানিগুলোকে ন্যূনতম শেয়ার ধারণ ৩০ শতাংশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।

বিএসইসি’র দায়িত্ব অন্তত ১০টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজার বিনিয়োগ নিয়ে আসা।

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি পরপর দুই বছর লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ হলে তাহার বোর্ড পুনর্গঠন করতে হবে।

ফোর্স সেল বন্ধ করতে হবে। উৎস: জাগোনিউজ২৪

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়