শিরোনাম
◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন ◈ মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারী (ভিডিও) ◈ তুরস্ককে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম, ডি ব্রুইনার জোড়া গোল ◈ ২০৩০ সালে একই বছরে যে কারণে দুবার রমজান, ৩৬ দিন রোজা রাখবেন মুসলিমরা ◈ ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা গুঞ্জন! ◈ বিদেশযাত্রায় ভিসা বাণিজ্য: সরকারি খরচের চেয়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা বেশি ব্যয়ে বিদেশে যাচ্ছেন কর্মীরা! ◈ ময়মনসিংহে বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার রুবেল, বললেন—‘সেবা করতে গিয়েছিলাম’ ◈ ফ্রান্স-ইতালি লড়াইয়ে জিতল না কেউ ◈ ব‌্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ হ‌লো, এশিয়ান গেম‌স ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশ স্বর্ণ জ‌য়ের স্বপ্ন দে‌খে পে‌লো না ব্রোঞ্জও

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:২৭ বিকাল
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:২৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পরকীয়ার জেরে দুই শিশুকে খুন

কুমিল্লায় এক নারীকে মৃত্যুদন্ড আরেকজনকে যাবজ্জীবন

শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা: কুমিল্লায় পরকীয়ার জেরে দুই শিশুকে হত্যার দায়ে এক নারীকে মৃত্যুদন্ড এবং অপর নারীকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়। 

মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খানম এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার লাজৈর গ্রামের মো. বাবুল হোসেনের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (২৮) কে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। একই গ্রামের সেলিম মিয়ার স্ত্রী মাজেদা বেগম (৪৩) কে যাবজ্জীবন দেয়া হয়। তারা সর্ম্পকে চাচি শাশুড়ী এবং ভাতিজা বউ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত দুই নারী উপস্থিত ছিলেন। বিচারক ১৬ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই রায় দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি নুরুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল লাজৈর গ্রামের প্রবাসী মো. বাবুল হোসেনের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (২৮) পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ ঘটনা দেখে ফেলায় প্রথমে ভুট্টক্ষেতে নিয়ে মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে আরাফাত (৬) কে খুন করেন। ঠিক ওই সময় খুনের ঘটনা দেখে ফেলায় কিছুক্ষন পর শাহ আলমের ছেলে জসিম (৭) কেও ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে খালে ডুবিয়ে দেয়।

পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ইয়ামিন আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ইয়াছমিন আক্তারকে সহযোগীতা করে মামলার দ্বিতীয় আসামী মাজেদা বেগম। ঘটনার পর মাজেদা বেগম আত্মগোপন করে।

গত বছর র‌্যাব-১১ মাজেদা বেগমকে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার দুর্গম একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় ওই বছরের ২১ এপ্রিল মুরাদনগর থানায় ইয়াসমিনকে ১নম্বর এবং মাজেদা বেগমকে ২নম্বর ও অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে নিহত আরাফাতের পিতা বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানী শেষে বিচারক ইয়ামিনকে মৃত্যুদন্ড এবং মাজেদাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। সম্পাদনা: অনিক কর্মকার

প্রতিনিধি/একে/একে

 

  • সর্বশেষ