শিরোনাম
◈ মহানগর এলাকার সরকারি প্রাথমিকেও আসছে অনলাইন ক্লাস ◈ এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদেরও চাকরি হারানোর ঝুঁকি ◈ চলতি অর্থ বছরের ৩১৮.৬৩৯ কি.মি. খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে : পানি সম্পদ মন্ত্রী  ◈ চাহিদার চাপে তেলশূন্য পাম্প—নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় চালু হচ্ছে পরীক্ষামূলক ‘ফুয়েল পাস’ ◈ প্রবাসী আয়ে নতুন ইতিহাস, এক মাসেই সর্বোচ্চ প্রবাহ ◈ দেশবাসীর রায়কে অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ তুলে সংসদে বিরোধীদলের ওয়াকআউট ◈ জামায়াতের উপর বিএন‌পির নজরদা‌রি, পুতুল‌কে সাম‌নে রে‌খে ফেরার অপেক্ষায় পলাতক আওয়ামী লীগ ◈ ক্রোয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিলো ব্রাজিল ◈ রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ২৩,৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:৫৫ দুপুর
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে চিকিৎসকের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, এরপর যা ঘটল

ভুক্তভোগী ডা. শফিকুল ইসলাম গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। 

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে এক চিকিৎসককে আটক রেখে মারধর ও তিন লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ত্রিশাল উপজেলার বীররামপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বুধবার বিকালে ত্রিশাল পৌরসভার উজানপাড়ায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চিকিৎসক ৯ জনের নামে থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—রবিউল মোল্লা, সোনালী আক্তার, রাজনা আক্তার ও আমিরন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ১৬ নভেম্বর ‘জুই চৌধুরী’ নামের একটি ফেক ফেসবুক আইডি থেকে তানিয়া আক্তারের সঙ্গে ডা. শফিকুলের পরিচয় হয়। নিয়মিত কথোপকথনের পরে তানিয়া তাকে ত্রিশালে দেখা করতে বলে। বুধবার বিকালে বাদী ত্রিশালে পৌঁছালে, সিয়াম নামের একজন তাকে রিসিভ করে ত্রিশাল পৌরসভার উজানপাড়ের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়।

সেখানে তানিয়ার কক্ষে কথা বলার সময় রবিউল মোল্লা, আবুল বাশার ও ফরিদুল ইসলাম হঠাৎ প্রবেশ করে। পাশের রুম থেকে সোনালী আক্তার, রাজনা আক্তার, রাবেয়া আক্তারসহ আরও কয়েকজন এসে চিকিৎসককে ঘিরে ধরে। পরিকল্পিতভাবে তাকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই নারীকে পাশে বসিয়ে ভিডিও ও ছবি ধারণ করা হয়। এরপর তাকে ১০ লাখ টাকা দিতে চাপ দেওয়া হয় এবং টাকা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়।

প্রাণভয়ে ডা. শফিকুল প্রথমে নিজের কাছে থাকা ২২ হাজার ৫০০ টাকা দেয়। এরপর মারধরের পর আত্মীয়দের মাধ্যমে বিকাশে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়। টাকা নেওয়ার পরও ঘটনার কথা কাউকে বললে হত্যা করার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ত্রিশাল থানা পুলিশকে জানিয়ে মামলা করেন।

ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সময় আমিরনের ব্যাগ থেকে ৫৬ হাজার ৮৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামিদের ব্যবহৃত ৬টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়