শিরোনাম
◈ পাঁচ বছরেই বদলে যাবে অর্থনীতির চিত্র, মালয়েশিয়া-ভিয়েতনামকে ছাড়াবে বাংলাদেশ: আইএমএফ ◈ শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান: বাংলাদেশ-চীনের কারিগরি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় ◈ বড় দুঃসংবাদ লোডশেডিং নিয়ে! ◈ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ◈ হামের উপসর্গে আরও ৫ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৯৬০ ◈ নভেম্বরে তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে ঢুকে বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, ভারতীয় নাগরিক আটক ◈ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ◈ নিখোঁজের ২ দিন পর চট্টগ্রামে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন উদ্ধার ◈ প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশকে নেওয়ার বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল পাকিস্তান

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:৫৫ দুপুর
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে চিকিৎসকের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, এরপর যা ঘটল

ভুক্তভোগী ডা. শফিকুল ইসলাম গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। 

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে এক চিকিৎসককে আটক রেখে মারধর ও তিন লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ত্রিশাল উপজেলার বীররামপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বুধবার বিকালে ত্রিশাল পৌরসভার উজানপাড়ায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চিকিৎসক ৯ জনের নামে থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—রবিউল মোল্লা, সোনালী আক্তার, রাজনা আক্তার ও আমিরন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ১৬ নভেম্বর ‘জুই চৌধুরী’ নামের একটি ফেক ফেসবুক আইডি থেকে তানিয়া আক্তারের সঙ্গে ডা. শফিকুলের পরিচয় হয়। নিয়মিত কথোপকথনের পরে তানিয়া তাকে ত্রিশালে দেখা করতে বলে। বুধবার বিকালে বাদী ত্রিশালে পৌঁছালে, সিয়াম নামের একজন তাকে রিসিভ করে ত্রিশাল পৌরসভার উজানপাড়ের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়।

সেখানে তানিয়ার কক্ষে কথা বলার সময় রবিউল মোল্লা, আবুল বাশার ও ফরিদুল ইসলাম হঠাৎ প্রবেশ করে। পাশের রুম থেকে সোনালী আক্তার, রাজনা আক্তার, রাবেয়া আক্তারসহ আরও কয়েকজন এসে চিকিৎসককে ঘিরে ধরে। পরিকল্পিতভাবে তাকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই নারীকে পাশে বসিয়ে ভিডিও ও ছবি ধারণ করা হয়। এরপর তাকে ১০ লাখ টাকা দিতে চাপ দেওয়া হয় এবং টাকা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়।

প্রাণভয়ে ডা. শফিকুল প্রথমে নিজের কাছে থাকা ২২ হাজার ৫০০ টাকা দেয়। এরপর মারধরের পর আত্মীয়দের মাধ্যমে বিকাশে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়। টাকা নেওয়ার পরও ঘটনার কথা কাউকে বললে হত্যা করার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ত্রিশাল থানা পুলিশকে জানিয়ে মামলা করেন।

ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সময় আমিরনের ব্যাগ থেকে ৫৬ হাজার ৮৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামিদের ব্যবহৃত ৬টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ