শিরোনাম
◈ জুনের মধ্যে ডিজেলচালিত বিদুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ◈ গণ্ডগোল করার জন্য নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী ◈ রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শুরু, বক্তব্য দিচ্ছেন নেতারা ◈ ঢাবিতে গাড়িচাপায় নারীর মৃত্যু, পরিবারের মামলা ◈ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম ◈ নব্বইয়ের বীর সৈনিক রাজুর শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ◈ ব্রাজিলকে হারিয়ে বিদায় যাত্রা স্মরণীয় করে রাখলো ক্যামেরুন ◈ ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত ব্রাজিল ◈ ৩ ডিসেম্বর, ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবস ◈ টাঙ্গাইলে ১০ মামলায় বিএনপির ৮শ’ নেতাকর্মী আসামী, কারাগারে ৬৮

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৪৮ রাত
আপডেট : ১৩ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এম আর ফারজানা: কি মর্মান্তিক

এম আর ফারজানা: গত সাপ্তাহে নিউ ইয়র্কে এক বাংলাদেশী পরিবারে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হয়। তাও আবার মায়ের সামনে। মুলত মায়ের সাথে এক ভাই ঝগড়া করছিল তো ছোট ভাই এসে তাদের মধ্যে মায়ের পক্ষ নেয়। সোজা কথা পারিবারিক ঝগড়া । এক পর্যায়ে পরিস্থিতি এমন অবস্থায় যায় যে বড় ভাই ছুরি দিয়ে ছোট ভাইয়ের আঘাত করে, মা সামনেই ছিলেন পারেননি থামাতে, পুলিশ কল করেন ,কিন্তু ততক্ষনে অবস্থা চরম পর্যায়ে। পুলিশ আসে। কিন্তু ততক্ষনে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে মারা যায় ছোট ভাই । বড় ভাইকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। New York post থেকে শুরু করে আমেরিকান সব পত্রিকায় এই নিউজ এসেছে। আব্দুস সালাম সরকার ৪৫ বছর আগে আমেরিকা আসেন (দেশের বাড়ী সিরাজগঞ্জ) , এখন পর্যন্ত গ্রীনকার্ড পাননি। ( গ্রীনকার্ড হল আমেরিকাতে থাকার বৈধ অনুমোতি, নাগরিকত্ব না )।

তিন ছেলের জন্ম নিউ ইয়র্কে। থাকতেন জ্যাকসন হাইটসে। আমি ভাবছিলাম মায়ের কথা , তিন ছেলের মধ্যে ১ জন খুন হল, একজন জেলে । আরেকজন বাবা-মায়ের সাথে আছে। কি মর্মান্তিক একটা পরিবারের জন্য। আর মা কি কোনদিন ভুলতে পারবে এমন ঘটনা। না বড় ছেলের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেনি বাবা- মা, যতটুকু জেনেছি তিন ভাইয়ের মধ্যে বড়টাই নাকি ভালো। যাকে খুন করছে সে নাকি মাদক আসক্ত ছিল আর মাকে নাকি প্রায় মারধর করত এমন কথা শুনেছি এবং তাকে নিয়েই নাকি মায়ের সাথে ঝগড়া । যেহেতু বাবা- মা অভুযোগ করেনি, তাই বড় ছেলে পুলিশ কাস্টাডিতে থাকলে ও বের হয়ে যাবে। আমি ভাবছি ভিন্ন কথা, এই যে আব্দুস সালাম আমেরিকা আসল তার আর ইচ্ছে থাকা স্বত্বে দেশে যেতে পারল না। যেতে পারত তবে আর আমেরিকা আসতে পারত না পারমিট না থাকার কারনে। আসলে এমন বিভিন্ন দেশের লোক আছে ভাবে দেশে গিয়ে কি করবো তারচেয়ে বরং এখানেই থেকে যাই। থাকে ঠিকি তবে তাদের কস্ট আর শেষ হয় না। তবে ছেলেগুলো মানুষ হলে দুঃখ ঘুচে যেত।

আসলে জীবনের তাগিদে মানুষ এতটাই ব্যস্ত হয়ে যায় যে অনেক সময় সন্তানদের ও সময় দিতে পারে না। বাস্তব কত কঠিন সে পথে না গেলে বুঝা যায় না। আজ আপনার কাছে যে জীবন স্বপ্নের মত রঙ্গিন বাস্তবের মুখে দাঁড়ালে দেখবেন তা কত ধূসর। শুধু তারাই জানে যারা এ পথে হেঁটে যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়