প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজবাড়ীতে যমজ ৩ শিশু নিয়ে বিপাকে মা-বাবা, পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও

মাজহারুল ইসলাম: [২] গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুল হক খান মামুন শনিবার দুুপুরে ববিতা-কিরণ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে তিন মাসের শিশুখাদ্য ও নগদ ৫ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন। ঢাকা পোস্ট

[৩] গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শাহাদৎ মেম্বারপাড়ার দিনমজুর কিরণ মুন্সি’র স্ত্রী ববিতা বেগম গত ৪ নভেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাভাবিকভাবে একে একে তিনটি সুস্থ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।

[৪] পরিবারে নতুন সদস্যের আগমনে খুশিতে আত্মহারা কিরণ মুন্সি সন্তানদের নাম রাখেন তামিম, তাসিন, তানজিল। কিন্তু দিন গড়ানোর সাথে সাথে তার সে আনন্দ ফিকে হয়ে ওঠে। কারণ তিনটি শিশুসন্তানকে লালনপালন করতে যে খরচ হয়, তা তিনি রোজগারও করতে পারেন না।

[৫] এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনও আজিজুল ওই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দুঃসময়ে এমন সহায়তা পেয়ে অনেক খুশি ওই পরিবার।

[৬] গৃহবধূ ববিতা বলেন, আমাদের এই দুঃসময়ে ইউএনও স্যার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার তিন শিশুপুত্রের জন্য খাবরের ব্যবস্থা করেছেন। ইউএনও স্যারের এই ঋণ আমি কোনোদিনও শোধ করতে পারব না।

[৭] কিরণ মুন্সি জানান, নদীভাঙনে সহায়-সম্বল হারিয়ে দৌলতদিয়া ইউনিয়নে ৩ শতাংশ জমি বাৎসরিক ভাড়া নিয়ে কোনোমতো মাথা গোঁজার ঠাঁই গড়ে তুলি। আমি কখনো হকারি, কখনো দিনমজুরের কাজ করে পরিবার ভরণপোষণ করি।

[৮] ইউএনও আজিজুল হক খান মামুন বলেন, শিশুদের সহায়তা করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি যতদিন এখানে থাকব তাদের সহযোগিতা করে যাব। পরিবারটির জন্য মুজিববর্ষ উপলক্ষে একটি সরকারি ঘরের ব্যবস্থাও করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত