শিরোনাম

প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৯:৫৩ সকাল
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৯:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লন্ডনে ব্যারিস্টার নোরা শরীফের মৃত্যু বার্ষিকী পালন

ডেস্ক রিপোর্টঃ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্যে 'ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ' পদক প্রাপ্ত ব্রিটিশ-আইরিশ নাগরিক ব্যারিস্টার নোরা শরীফের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্দোগে ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় লন্ডনে এক ভার্চুয়াল স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। সঞ্চালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য এবং ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবদুল হাসান চৌধুরী কায়ছার, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আবু পিপি, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জালালউদ্দীন, সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, হরমুজ আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, মারুফ চৌধুরী, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জামাল খান, রাজিয়া শরীফ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সহধর্মিনী নোরা শরীফ আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। নোরা শুধু একজন বাঙালির প্রেমে পড়েন নাই, গোটা বাংলাদেশের প্রেমে পড়েছিলেন। আচার-আচরণে, খাদ্যাভ্যেসে তিনি খাঁটি বাঙালিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। এমনকি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসে সংগঠিত আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। বিলাতেও বাঙালি কমিউনিটির সেবায় তাঁর অবদানের কোন তুলনা নেই।

আমির হোসেন আমু বলেন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আটক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্ত করার জন্য লন্ডন থেকে ঢাকায় আইনজীবী পাঠাতে নোরা শরীফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। '৬৯-এর গণঅভ্যুথান, '৭০-এর নির্বাচন ও '৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বজনমত গড়ে তুলতে তাঁর ভূমিকা ছিল অসাধারণ।একাত্তরের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের  প্রশ্নে বিভিন্নভাবে তিনি সহায়তা করেছেন।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, নোরা শরীফ বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে কারামুক্ত করার আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। আমাদের ইতিহাসে ব্যারিস্টার নোরা শরীফ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
সভাপতির বক্তব্যে সুলতান মাহমুদ শরীফ তাঁর সহধর্মিনী নোরা শরীফের স্মরণ সভায় অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ব্যারিস্টার নোরা শরীফের স্মৃতিকে ধরে রাখতে তাঁর নামে বাংলাদেশে কোনো রাস্তা অথবা কোনো স্থাপনা অথবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলের নামকরনের দাবি জানান বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিকট।

  • সর্বশেষ