প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ‘বেগম জিয়ার চিকিৎসায় দায়িত্বরত চিকিৎসকদের যথেষ্ট সচেষ্ট থাকা প্রয়োজন’

আমিরুল ইসলাম : [২] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হেপাটোলজি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সভাপতি অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) ও সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুর রহিম এক বিবৃতিতে জানান, সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা সক্রান্ত বিষয়ে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের প্রেস ব্রিফিংয়ের প্রেক্ষিতে হেপাটোলজি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের মতামত ব্যক্ত করা প্রয়োজন। জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসনের জন্যও সঠিক চিকিৎসার বিষয়ে যথাযথ আলোকপাত করা দরকার।

[৩] বিবৃতিতে তারা বলেন, লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে পোর্টাল হাইপারটেনশনজনিত বিভিন্ন কারণ, যেমন: ইসোফেজিয়াল ভ্যারিক্স, গ্যাস্ট্রিক ভ্যারিক্স, গ্যাস্ট্রিক এন্ট্রাল ভাসকুলার একটাশিয়া ইত্যাদি থেকে খাদ্যনালী ও পাকস্থলীতে রক্তপাত হতে পারে। ইসোফেজিয়াল ভ্যারিক্স হতে রক্তক্ষরণ বন্ধে ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসিয়াল লাইগেশন (ইভিএল) একটি বহুল ব্যবহৃত স্বীকৃত চিকিৎসা।

[৪] বারবার রক্তক্ষরণ বন্ধের ক্ষেত্রেও ইভিএল করা যায়। এছাড়া পোর্টাল হাইপারটেনশনের কারণে বারবার রক্তক্ষরণ এবং যথাযথ মাত্রার ওষুধ প্রয়োগের পরেও বারবার আসা পেটের পানির (রিফ্র্যাক্টরি এসাইটিস) চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ট্রান্সজগুলার ইন্ট্রাহেপাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিপস) করা যায়। টিপস-এর ক্ষেত্রে চিকিৎসা পরবর্তী জটিলতা বিশেষ করে হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি অর্থাৎ লিভার রোগজনিত কারণে অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা বা অজ্ঞান হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

[৫] এছাড়াও টিপস করার সময় হার্টের জটিলতা দেখা দিতে পারে এবং শিরা পথে ডাই ব্যবহারে কিডনির জটিলতা বহু মাত্রায় বাড়তে পারে। অর্থাৎ টিপস করার সময়েও হার্ট ডিজিজ বা কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত রোগীদের প্রসিডিউরজনিত জটিলতার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত