শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, ইউরোপে কমছে চাহিদা ও আয় ◈ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার হিসাবের বড় উল্লম্ফন ◈ কর্মসংস্থানে আসছে ১৪ লাখ বেকার ◈ সংসদে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখলেন জেবা আমিন, স্পিকারের রসিকতা: ‘আগামী বছরের জন্য প্র্যাকটিস করতে থাকেন’(ভিডিও) ◈ ২৪ ঘণ্টার বদলে ৪৮ ঘণ্টার হলে হয়ত আরো বেশি কাজ করা যেত, দায়িত্বের একটা চাপ অসম্ভবভাবে অনুভব করছি: তারেক রহমান  ◈ কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি! ◈ এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য নিয়ে বাড়ছে নজরদারি, স্পটলাইটে রেনেসাঁ ও ফোর পয়েন্টস কেএল ◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার

প্রকাশিত : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:২৯ রাত
আপডেট : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আশরাফুল আলম খোকন: ‘সাইবার সন্ত্রাসী’, ‘অনলাইন প্রস্টিটিউট’ এবং ‘নিজের খেয়ে নিজের মোষ খেদাই’

আশরাফুল আলম খোকন: পটকা মাছ কমবেশি সবাই চিনেন। এই মাছকে সাধারণত বিষাক্ত মাছ বলে মানুষ খায় না। ছোট সময় মাছ ধরার অভ্যাস ছিলো। অনেক ধরেছি কিন্তু পটকা মাছ ধরিনি। প্রায় দেখতাম নদীর পাড়ে এসে পটকা মাছ আস্তে আস্তে নিজেকে ফুলাতে থাকতো। একটু পানি ছিটা দিলেই চুপসে গিয়ে দৌড়ে পানির মধ্যে চলে যেতো। আর আমরা যদি পানি ছিটা না দিতাম ফুলতে ফুলতে অটো ব্লাস্ট হয়ে মরে যেতো। কারণ এই গর্ধভ মাছটার নিজের ক্যাপাসিটি সম্পর্কে ধারণা নেই।

গল্পটা বলার কারণ হচ্ছে, যদি আপনার বিরুদ্ধে কেউ লাগে তাহলে লাগতে দেন। একদিন অটো বস্ট হবে। কারণ পটকা মাছের মতো বলদটা অটো ব্লাস্ট হয়ে ধ্বংস হবে। শুধু একটা সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বলদ বললাম কেন?

আরে ভাই, বলদ না হলে কেউ নিজের খেয়ে, নিজের পরে অন্যের বিরুদ্ধে সময় ও মেধা নষ্ট করে? বুদ্ধিমান হলে তো নিজেকে গঠন করতো। নিজের দেখা অভিজ্ঞতা থেকে বললাম। আজকে যাদের ‘সাইবার সন্ত্রাসী’ বলা হচ্ছে তাদের অনেকের উত্থানের শুরুর দিকের অন্যতম টার্গেট ছিলাম আমি। কিছু হলেই আমার বিরুদ্ধে বলতো। তারা যখন আমার বিরুদ্ধে বলতো, তখন একটা গ্রপ খুব মজা পেতো। আমিও মজা পেতাম এই ভেবে যে তারা আজকের মজাটা কয়দিন পর টের পাবে। এই ভেবে আমিও ২০১৮ সালের পর এই ‘অনলাইন প্রস্টিটিউট’দের বিরুদ্ধে কিছু বলা বন্ধ করে দিছি। ‘অনলাইন প্রস্টিটিউট’ বললাম কারণ তারা যা করে টাকার বিনিময়ে করে। তাদের মধ্যে আদর্শের লেশমাত্র নেই। টাকা দিলে আপনার পক্ষেও করবে। এখন সব অটো ব্লাস্ট হচ্ছে। তবে আমি মজাও নিচ্ছি না। আর পানি ছিটা আমি কখনোই দিই না। নিজের খেয়ে নিজের মোষ খেদাই। Ashraful Alam Khokan-র ফেসবুক পেজে লেখাটি পড়ন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়