শিরোনাম
◈ জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, সব ডিসি অফিসে চিঠি ◈ নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়ে ইরানে বিশাল শোভাযাত্রা ◈ তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ◈ ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অসহনীয় বোঝা, কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ◈ সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল, চট্টগ্রামে খালাস শুরু ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না: অর্থমন্ত্রী ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: ভারতে গ্রেফতার দুই বাংলাদেশির জন্য কনস্যুলার অ্যাকসেস চাইল ঢাকা ◈ অনির্দিষ্টকালের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ◈ যাকাত ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে সম্ভাবনা খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ দেশের সব মেডিকেল কলেজের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২১, ০৩:৩৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসিন হায়দার: বাংলাদেশে এখনকার বেশিরভাগ বিয়ে, প্রেম মানেই লিটারেলি নরকে স্বেচ্ছায় নিজেকে নির্বাসিত করা!

হাসিন হায়দার: বাংলাদেশে এখনকার বেশিরভাগ বিয়ে/প্রেম মানেই লিটারেলি একটা নরকে স্বেচ্ছায় নিজেকে নির্বাসিত করা। বেশিরভাগ জায়গাতেই দেখবেন দুইজনের মাঝে যে একটা সম্মানজনক সম্পর্ক থাকার কথা সেইটা আর নেই, খুব খুব খুব কম ক্ষেত্রেই রেসপেক্ট করা হয়। হয় স্বামী, নয়তো স্ত্রী, হয় বয়ফ্রেন্ড নয়তো গার্লফ্রেন্ড কেউ না কেউ সুপার পজেটিভ হয়ে যায়। পার্টনার তার অপোজিট জেন্ডারের কারো বিষয়ে প্রশংসা করতে পারবে না, তাদের ড্রেস বা গেটাপ/মেকাপ/লুক-এন্ড-ফিল নিয়ে কথা বলতে পারবে না, কারো সঙ্গে কমিউনিকেট করতে পারবে না এ রকম অশান্তি চলতেই আছে। সঙ্গে ফ্রি হিসেবে দিনের পর দিন সন্দেহ, পুরোই সাফোকেটিং একটা অবস্থা। পার্সোনালি নিয়েন না আপনি বা আপনার পার্টনার হয়তো এ রকম নয়, কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখেন অন্তত ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে দুইজনের সম্পর্ক পুরোই বিষাক্ত অবস্থায় চলে গেছে। বিয়ন্ড রিপেয়ার এসব সম্পর্ক আর ফিক্সড বা রিপেয়ার করার পর্যায়ে নেই। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এ রকম বিষাক্ত অবস্থায়ও জাস্ট সন্তানের বা ফ্যামিলির বা লোকলজ্জার খাতিরে

এরপরেও দুইজনে স্টিল একসঙ্গে থাকে নিজের বাকি জীবনটার সমস্ত আনন্দ, শারীরিক চাহিদা এবং মানসিক সুখশান্তি বিসর্জন দিয়ে।
আবার দেখবেন একটা ছেলে এবং মেয়ে হয়তো নিজেদের রিলেশন নিয়ে সুখে-শান্তিতে আছে, কিন্তু তাদের বাবা, মা, ভাইবোন, আত্মীয়-স্বজন কন্টিনিউয়াসলি নাক গলিয়ে তাদের সম্পর্কটাকে পুরো বিষাক্ত বানিয়ে দিচ্ছে দিনের পর দিন। সবাই অন্যদের সামনে নিজেদের সুখী দেখানোর অভিনয় করে যাচ্ছে। যেই দম্পতি সবার সামনে আদর্শ বা আইডল, দেখবেন রাতের অন্ধকারে বা দিনের একাকী সময়ে সেই দম্পতির কেউ না কেউ চোখের পানি ফেলছে একা একা, বা দুইজনেই। অঞ্জন দত্তের একটা গানের লাইনের কথা মনে পড়ে যায় বারবার; ‘চারটে দেয়াল মানেই নয়কো ঘর, নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর। তখন কীসের টানে মানুষ পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে, ঝাপসা চোখে দেখা এই শহর’

টাকাপয়সার কথা বাদ দেন। দুইদিনের এই জীবনে যদি মনের শান্তিই না থাকে আর যদি কান্নাকাটি করতেই ব্যস্ত থাকতে হয় তা হলে আর কেমনে কী। পারলে সারাজীবন সিঙ্গেল থাকেন, নিজের মতো থাকেন, নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন সেটাই সবচেয়ে ভালো ডিসিশন। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়