প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চান্দিনা পৌরসভার রাস্তাটি যেনো ময়লার ভাগার

শাহাজাদা এমরান: [২] কুমিল্লার চান্দিনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বেলাশ^র-ডুমুরিয়া এলাকার রাস্তাটি দেখলে মনে হবে পৌরসভা এটিকে ময়লার ভাগার বানানোর জন্য কাজ করছে।

[৩] পৌরসভার সকল ময়লা গাড়ি বোঝাই করে শহরের অন্যতম ব্যস্ততম এই সড়কটির উপর ফেলা হচ্ছে।

[৪] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চান্দিনা পৌরসভার অন্যতম ব্যস্ততম এই সড়কটি ৪নং ওয়ার্ডের শেষ ও কেরনখাল ইউনিয়নের শুরুর অংশ। সড়কটি পৌরসভার অংশ হলো বেলাশ^র আর ইউপির অংশ হলো ডুমুরিয়া।

[৫] প্রতিদিন এই রাস্তাটি দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ হাজারের উপর লোকজন যাতায়াত করে বলে পথচারীরা জানান।

[৬] পৌরসভার ময়লাগুলো অপরিকল্পিত ভাবে রাস্তার দুই পাশে ফেলতে ফেলতে এখন ময়লা রাস্তার উপর উঠে গেছে। পৌরসভা ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে চলাচলকারী পথচারীদের ময়লার বিশ্রি গন্ধে নাভিশ্বাস অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
রাস্তার পাশে ধানী জমিতে কাজ করা কৃষক সবুর খান বলেন, স্যার, এই ময়লার গন্ধের কারণে মেয়ে বিয়ে দিতে পারছি না। গত মে মাসে ছেলের পক্ষ থেকে আমার মেয়েকে দেখতে আসে। ঘরে বসে ময়লার গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে তারা বলে, এই দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় আত্মীয় করবো কিভাবে। এই অভিযোগ শুধু সবুর খানের না। এটা বেলাশ^র ও ডুমুরিয়া এলাকার সকল নাগরিকদের।

[৭] এই রাস্তা দিয়ে নিয়মিত সিএনজি চালানো রশিদ মিয়া বলেন, এই সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাতে গিয়ে আমরা অসুস্থ হয়ে গেছি। ময়লার গন্ধে কত পেসেঞ্জার- চালক যে বমি করে অসুস্থ হয়ে পড়ছে তার কোন হিসেব নেই।

[৮] রিক্সা চালক কুদ্দুস বলেন, এত গুরুত্বপূর্ন একটি সড়কের উপর কিভাবে পৌরসভা ময়লা ফেলে তা বুঝি না বাবা। দয়া করে একটু মেয়র স্যারকে বলে আমাদের এখান থেকে ময়লা গুলো সরানোর ব্যবস্থা করেন।

[৯] চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের শিক্ষার্থী আবদুর রব শিকদার বলেন, পৌর মেয়র কি একটু সদয় হবেন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দিতে।
[১০] এ বিষয়ে জানতে চাইলে চান্দিনা পৌরসভার মেয়র শওকত হোসেন ভুইয়া বলেন, এটি আমাদের পূর্বসুরীদের জঞ্জাল। তাদের অপরিকল্পিত ভাবে কাজ করার খেসারত দিতে হচ্ছে জনগনকে। আমি দায়িত্ব নেয়ার পরই বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমি পরিকল্পিত ভাবে কাজটি করতে চাই যাতে কয়েক বছর পর আবার কোন সমস্যা সৃষ্টি না হয়। এর জন্য দরকার অর্থ। আশা করি অর্থের ব্যবস্থা করে জমি কেনে এর একটি স্থায়ী সমাধান করব ইনশাআল্লাহ্ ।

সর্বাধিক পঠিত