প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বন্দুকযুদ্ধে হত্যার পর আতঙ্ক ছড়াতে মরদেহ ঝুলিয়ে শহরে ঘুরালো তালিবান

খালিদ আহমেদ: [২] হেরাতের ডেপুটি গভর্নর মাওলাউই শির আহমেদ মুহাজির বলেন, মরদেহ গুলি শহরের বিভিন্ন জনসমাগম স্থলে প্রদর্শন করা হয়েছে। অপহরণ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না এই ‘শিক্ষা’ দিতেই এমনটা করা হয়েছে। এএফপি

[৩] মুহাজির বলেন, ‘আজ শনিবার একজন ব্যবসায়ী ও তার ছেলেকে অপহরণ করা হয় বলে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে খবর আসে। এরপরই পুলিশ শহর থেকে বের হওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেয় এবং তালিবান একটি তল্লাশিচৌকিতে কয়েকজনকে আটকালে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়।’

[৪] মুহাজির এএফপির কাছে পাঠানো এক রেকর্ড বার্তায় বলেন, কয়েক মিনিটের ওই বন্দুকযুদ্ধে আমাদের একজন মুজাহিদীন আহত হন এবং চার অপহরণকারী নিহত হয়।

[৫] এক ভিডিও ক্লিপে তিনি বলেন, ‘আমরা (আফগানিস্তান) ইসলামি আমিরাত। আমাদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। কাউকে অপহরণ করা যাবে না।’

[৬] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা গ্রাফিক ইমেজে দেখা গেছে, একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে লাশগুলো রাখা। সেখানে ক্রেন দিয়ে একজনের লাশ ঝুলিয়ে রাখা। ট্রাকটির চারপাশে ছিল তালিবানের সশস্ত্র যোদ্ধারা। আর তা দেখতে ভিড় করে সাধারণ মানুষ।

[৭] আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ক্রেনে ঝোলানো একজনের বুকে ‘অপহরণকারীদের এমন শাস্তিই হবে’ এমন বার্তা সাঁটিয়ে দেওয়া ছিল।

[৮] গত মাসে তালিবানে দেশটির দখল নেওয়ার পর এই প্রথম এমন কঠোরতম শাস্তির ঘটনা ঘটল। আর এর মধ্য দিয়ে মনে করা হচ্ছে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাহিনীটি ক্ষমতায় থাকার সময় যে কট্টরপন্থা অবলম্বন করেছিল, তা এখনো তারা বহাল রাখবে।

[৯] মুহাজির বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখের বিষয় যে আমরা হেরাতে থাকার পরও এখানকার লোকজন অপহরণের শিকার হচ্ছে। তাই অন্য অপহরণকারীদের কাউকে অপহরণ বা হয়রানি না করতে এই শিক্ষা দেওয়া হয়। চুরি, অপহরণ বা আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে কিছু করলে শাস্তি পেতে হবে।’

সর্বাধিক পঠিত