শিরোনাম
◈ পেনাল্টি মিসের মাশুল, হলান্ডের জোড়া গোলে বিদায় ব্রাজিলের ◈ ১২ হাজারের বেশি অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি ◈ বিশ্বকা‌পে চমক দেখা‌নো কেপ ভার্দের ফুটবলাররা দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন ◈ 'আমার মৃত্যুর পর আমার লাশ যেনো এফডিসিতে নেওয়া না হয়': রোজিনার বিস্ফোরক মন্তব্য ◈ মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, ৩ বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু ◈ বিচার বিভাগে বড় পরিবর্তন, একযোগে ৩৮ বিচারকের নতুন পদায়ন ◈ যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘দি অক্টাগন’ উদ্ভোধন করল মিশর ◈ ‌বিশ্বকা‌পে এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা কতদূর যাবে,জা‌নি‌য়ে দি‌লো সুপারকম্পিউটার  ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নতুন পরিকল্পনা ◈ বিশ্বের ১০ জনবহুল দেশের ৮টিই নেই বিশ্বকাপে: কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ-ভারত?

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:০০ রাত
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধান বাস্তবায়নে নির্দেশ

খালিদ আহমেদ : [২] উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরের কাগজপত্র ও নথি অনুমোদনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করতে হবে, এটিসহ এ সংক্রান্ত বিধি ও প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ জন্য আদালতের আদেশের বিষয়টি উল্লেখ করে ইউএনওদের প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

[৩] এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

[৪] এর আগে উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও দুমকি উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খানসহ পাঁচজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রিটটি করেন।

[৫] রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। ইউএনওদের সাচিবিক দায়িত্ব পালনের বিধানসংক্রান্ত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

[৬] আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর/কর্ম উপজেলা পরিষদে হস্তান্তর বিষয়ে ২০১০ সালের ১৭ জুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে ইউএনও বিষয়ে বলা হয়, ইউএনও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে তাঁর নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। তিনি পরিষদের অর্থ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সব প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করবেন। উপজেলা পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবেন।

[৭] একই বছরের সেপ্টেম্বরে উপজেলা পরিষদের (কার্যক্রম বাস্তবায়ন) বিধিমালায় সংশোধনী আনা হয়। সংশোধিত ১৪(১) উপবিধির ভাষ্য, দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত বিষয়ে সব কাগজপত্র ও নথি, ইউএনওর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন। তবে ওই প্রজ্ঞাপন ও সংশোধিত উপবিধির বাস্তবায়ন হচ্ছে না উল্লেখ করে রিট আবেদনকারীরা সম্পূরক আবেদন করেন, যার ওপর আজ শুনানি হয়।

[৮] আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

[৯] পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, উপজেলা পরিষদ আইনের মূল চেতনা হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে উপজেলা পরিষদ। প্রশাসন এ কাজে সাচিবিক দায়িত্ব পালন করতে সহায়তা দেবে। উপজেলা পরিষদ আইন, উপজেলা পরিষদ (কার্যক্রম বাস্তবায়ন) বিধিমামলার (১৪৯১) উপবিধি ও ২০১০ সালের ১৭ জুনের প্রজ্ঞাপনে তা–ই বলা আছে।

[১০] কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অধিকাংশ উপজেলা জনপ্রতিনিধিদের পাশ কাটিয়ে ইউএনও পরিষদের বেশির ভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যা আইন পরিপন্থী। যে কারণে ওই উপবিধি ও প্রজ্ঞাপনের বাস্তবায়ন চেয়ে সম্পূরক আবেদন করা হলে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন। সম্পাদনা : ভিকটর রোজারিও

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়