প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জিয়াউর রহমানকে প্রমাণ করতে হবে সে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা: আইনমন্ত্রী

খালিদ আহমেদ ও সমীরণ রায়: [২] আনিসুল হক আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের কর্মকাণ্ডে ভারতে যাওয়া ছাড়া, জেড ফোর্স নামের একটা ভুয়া বাহিনী ছাড়া আমরা কখনো দেখিনি যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেছেন। সে কারণে তাকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বলা সঠিক হবে কিনা সেটা মনে হয় বিতর্কযোগ্য।

[৩] তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার অর্থ বাংলাদেশকে হত্যা করা। বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিনষ্ট করা। তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো পরিচালনা করতে। এর প্রেক্ষিতেই জিয়াউর রহমান ক্ষমতা লাভের পর কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইন পাস করে এবং খুনীদের যাতে বিচারের মুখোমুখী হতে না হয় সেটি নিশ্চিত করে’।

[৪] আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াও খুনীদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করেছেন আর এরশাদ খুনীদের রাজনৈতিক দল গঠন করার সুযোগ দিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় অবশেষে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে।

[৫] তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা অর্থনৈতিকভাবেও বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। এখন তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখা।

[৬] শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) আইন অনুষদের উদ্যোগে ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার: আইনি পর্যালোচনা’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

[৭] রবিবার বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর রুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

[৮] আইন অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. রাজিউর রহমানের সঞ্চালনায় এবং উপাচার্য ড. এ. কিউ. এম মাহবুবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন আইন, বিচার সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

[৯] অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সাদিকুল আরেফিন বলেন, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে তাদের সঙ্গে কখনো আপস করা যাবে না এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রয়েছি, যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী তাদের সতর্ক থাকতে হবে একতাবদ্ধ থাকতে হবে।

[১০] সভাপতির বক্তব্যে বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড. এ. কিউ. এম মাহবুব বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন সেটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

[১১] এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বশেমুরবিপ্রবির আইন বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। এর পাশাপাশি জুম প্ল্যাটফর্মেও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংযুক্ত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত