শিরোনাম
◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী ◈ ‘দল চায়নি, নিজ থেকেই বিশেষ কারণে পদত্যাগ করছি’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন (ভিডিও) ◈ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে না আসায় বিরোধী দল শহীদ পরিবারকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কুমিল্লার সমেশপুরে সবজির চারা বিক্রিতেই ১৫ কোটি টাকার বাণিজ্য, লক্ষ্যমাত্রা ২০ কোটি! ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানে কাজের নতুন সুযোগ, নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে ◈ সৌদি আরবে ভারি বৃষ্টির জন্য চার অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি ◈ সর্বজনীন পেনশন নিয়ে সুখবর, যেভাবে লাভবান হবেন গ্রাহকেরা ◈ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ◈ ইশরাককে মন্ত্রিসভার বৈঠকে না যাওয়ার নির্দেশ, পদত্যাগপত্রও চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী: শফিকুল আলমের পোস্ট ◈ কলেরা প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ফিরদৌসী কাদরীর প্রশংসায় বিল গেটস!(ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০২১, ০২:৪৯ রাত
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২১, ০২:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আহসান হাবিব: যতো দোষ, নারী ঘোষ!

আহসান হাবিব: আমাদের দেশের পুরুষরা সবচেয়ে নির্মল চরিত্রের অধিকারী। এই নির্মলতায় কলঙ্কের দাগ লাগায় শুধু নারীরা। এই দেশের নারীদের একটাই কাজ-পুরুষদের নষ্ট করা। পুরুষগণ নারীদের কাছে যায় না, নারীরাই আসে। এসে পূত-পবিত্র পুরুষদের নষ্ট করতে থাকে। তাদের সাদা দিলে কাদা মাখাতে শুরু করে। তারপর নারীরা একসময় তাদের ছুঁড়েও ফেলে, তখন পুরুষরা তাদের হৃত গৌরব, পবিত্রতা আর ফিরে পায় না, জীবন নষ্ট হয়ে পড়ে। পুরুষদের চরিত্র, ফুলের মতো পবিত্র!
কারণ এদেশের পুরুষগণ মদ কী জিনিস চেনে না, কী করে নারীদের চুমু খেতে হয়, সেক্স করতে হয়, জানে না।

নারীরা জোর করে তাদের মদ খাওয়ায়, বিছানায় নিয়ে যায়। এদেশীয় পুরুষদের নিজস্ব বউ থাকলেও কী করে বাচ্চা হয়ে পড়ে বুঝতে পারে না। নারীরা তাদের ভুলিয়ে ভালিয়ে কি সব কুকর্ম করে এবং এক সময় বাচ্চা হয়ে পড়ে। বাচ্চা হয়ে গেলে তারা পিতা হয়ে পড়ে, অথচ তারা পিতা হতে চায়নি, তারা চেয়েছিল পূত-পবিত্র থাকতে। কারণ পিতা হতে গেলে তো খারাপ কাজ করতে হয়। পুরুষগণ সেক্স করাকে মহা বাজে কাজ বলে মনে করে। এটা কেবল নারীরাই করে এবং পুরুষদের চরিত্রকে, হায়, কালিমালিপ্ত করে ফেলে। এদেশের পুরুষরা প্রেম করা কাকে বলে তাও একদম জানে না। নারীরাই তাদের ফুঁসলিয়ে ফুঁসলিয়ে প্রেমের মতো একটি অপবিত্র কাজে জড়ায়।

তারা তাদের প্রেমের জালে আটকিয়ে ফেলে। তারপর তাদের স্বার্থ পূরণ হয়ে গেলে ছুঁড়ে ফেলে দেয়, তখন পুরুষদের জীবন মাটি হয়ে পড়ে। তারা হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হয় এবং এক একজন দেবদাস হয়ে পড়ে। দেবদাস না হলে তারা মদ কিংবা নারী সংসর্গ কাকে বলে জানতো না। এটা করে শুধু নারীরা। প্রেমের কারণে পুরুষদের কেউ কদাচিৎ আত্মহত্যা করে ফেলে, এটার দায় সম্পূর্ণ নারীর। নারী যদি তাকে ছেঁকা না দিতো, তাহলে আত্মহত্যার মতো একটি পাপ কাজ করতো না এবং সে সম্পর্কে পৃথিবী কিছুই জানতো না।

এই যে নারীরা বেশ্যা হয়, সেখানে কারা যায়? পুরুষরাই যায়, আসলে যেতো না, যায় কারণ বেশ্যারা তাদের সেখানে যেতে বাধ্য করে। তারা ‘আয়, আয়’ বলে ডাকে, পুরুষরা কিছু বুঝার আগেই সেখানে ঢুকে পড়ে। ঢুকেই তারা বোকা সেজে যায়, কারণ ততোক্ষণে তাদের চরিত্র কালো কালিতে মাখিয়ে ফেলেছে। এই যে দেশে এতো বড় বড় ক্লাব, এসব কারা চালায়? নারীরা। পুরুষরা ওখানে এমনি ঘুরতে ঘুরতে যায়। তখন নারীরা জোর করে ঢুকিয়ে তাদের মদ গিলিয়ে দেয়। সাদা চরিত্রের পুরুষরা কালো হয়ে বেরিয়ে আসে।

এই কালো করার সব দায় নারীদের। এদেশে এতো যে ধর্ষণ হয়, কে করে? কেন নারীরা। নারীরা পুরুষদের জোর করে ধর্ষণ করে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে রাখে। বাসে যদি কোন নারী কোন পুরুষকে একলা পায়, ব্যস, ধর্ষণ করে ফেলে, তারপর বাস থেকে তাকে বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। নারীদের জ্বালায় পুরুষরা ঘরের বাইরে বেরুতে পারে না। এই যে এতো বোরখা পরা নারী দেখেন, তারা আসলে নারী নয়, পুরুষ খেকো এক একটা বাঘ। পুরুষদের মত একটি পবিত্র প্রাণীকে অপবিত্র করে নারী। দেশে যতো যা কিছু নৈরাজ্য, সব নারীরা সংঘটিত করে। পুরুষদের জীবনকে ধ্বংস করে নারী। পুরুষগণ কিচ্ছু করে না, তাদের মত নাদান প্রকৃতিতে আর দ্বিতীয়টি নেই। নারীরা যদি অমন সেক্সি পোষাক না পরতো, তাদের যদি ক্লিভেজ দেখা না যেতো, তাহলে পুরুষরা কখনোই নারীদের দিকে তাদের ফকফকা হাত বাড়িয়ে স্তন কিংবা নিতম্ব ছুঁতো না। নারীরাই তাদের লোভাতুর বানিয়ে ফেলে। আসলে পুরুষদের মতো ভালো এবং পবিত্র আর হয় না। নারীদের জন্যই তারা খারাপ পথে নামতে বাধ্য হয়। পুরুষগণ ভাজা মাছ উল্টে খেতেই জানে না। তাই আমি মনে করি নারীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিৎ যাতে পুরুষরা খারাপ হতে না পারে। এর একমাত্র সমাধান দেশকে, পৃথিবীকে নারীশূন্য করে ফেলা। লেখক : ঔপন্যাসিক

  • সর্বশেষ