প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রমেকে করোনা রোগীর চাপে আরও ৫০ শয্যা বৃদ্ধি

আফরোজা সরকার : [২] দেশের অন্যান্য বিভাগের মতো রংপুরেও প্রতিদিন লম্বা হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত ও বাগছে মৃত্যুর সারি। বিভাগের কোথাও মিলছে না সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য আইসিইউ শয্যা (বেড)। রোগী ভর্তির তালিকা দীর্ঘ হতে থাকায় সাধারণ শয্যাও সহসা ফাঁকা থাকছে না। রোগীর চাপে বিভাগের একমাত্র বিশেষায়িত করোনা আইসোলেশন হাসপাতালেও জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আরেকটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

[৩] বুধবার (৭ জুলাই) দুুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন করোনা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কমিটি। মঙ্গলবার সকালে দেশ সংবাদকে ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে জেলা সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার রায়।

[৪] তিনি আরও বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ইউনিটের পশ্চিমে নতুন একটি ভবনে এই ইউনিট চালু হবে। সরঞ্জামাদি সহ সার্বিক প্রস্তুতি নিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগবে। ৫০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে।

[৫] তিনি আরও বলেন, রংপুরে দিন দিন করোনা রোগীদের চাপ বাড়ছে। ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতালে রোগীদের শয্যা ফাঁকা নেই। একারণে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থতলায় ৩৩ নম্বরটি করোনা ইউনিট করা হয়েছে। সেখানে ৩১টি শয্যা রয়েছে। এখন করোনায় আক্রান্তের হার অনেক বেশি। এ কারণে আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।

[৬] ডা. হিরম্ব বলেন, নতুন করোনা ইউনিটে ৩৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এছাড়া রংপুর প্রাইম ও ডক্টরস নামে বেসরকারি দুটি হাসপাতালেও করোনা রোগীদের শয্যা নেই। সেখানকার আইসিইউতে রোগীর চাপ রয়েছে। একারণে আমরা নতুন করে ৫০ শয্যার একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি ইউনিটের পশ্চিমে নতুন একটি ভবনে করা হচ্ছে। সেখানে আপাতত ২ টি আইসিইউ বেড থাকবে। সরঞ্জামাদিসহ সার্বিক প্রস্তুতি নিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগবে। প্রয়োজন হলে শয্যা আরও বাড়ানো হবে।

[৭] এ দিকে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেলার ৪ জন, দিনাজপুরের ৩ জন, রংপুরের ২ জন, লালমনিরহাটের ২ জনসহ নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের ১ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে গেল ছয়দিনে বিভাগে করোনায় প্রাণ হারাল ৮৭ জন। বিভাগে শনাক্তের হার ৪১ দশমকি ৮০ শতাংশ। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত