প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজশাহীতে সকালে কঠোর, বিকেলে ঢিলেঢালা ‘লকডাউন’

মঈন উদ্দীন: [২] এ বিভাগে কঠোর লকডাউন ক্রমেই শক্তি হারাচ্ছে। সকাল থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতার কারণে সব কিছুই বন্ধ থাকছে। তবে বেলা গড়িয়ে বিকেলে হতেই পাড়া-মহাল্লায় খুলছে দোকানপাট। জমছে আড্ডাও। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলেই তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে সব দোকানপাট। ফলে এক রকম চোর-পুলিশ খেলা চলছে বিভিন্ন মহল্লায়।

[৩] এছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকলেও কাঁচাবাজার ও জরুরি ওষুধ আনার অজুহাতে রোজই বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর বেরিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার মুখে পড়ছেন। কঠোর লকডাউনে নির্দেশনা অমান্য করায় রোববার (৪ জুলাই) ৭৯ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলা হয়েছে ৮৩ জনের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে রাজশাহী মহানগরীতে প্রায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ও প্রায় ১০ হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা হয়েছে। আর জেলায় ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা ও ৬৯ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন।

[৪] লকডাউনের পঞ্চম দিন সোমবার মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, নানা প্রয়োজনে মানুষ বাইরে এসেছেন। প্রধান সড়কে কিছু ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে। এছাড়া মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়িও চলছে। তবে দোকানপাট বন্ধ।

[৫] মানুষকে ঘরে ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। জেলা প্রশাসনের চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মাঠে আছে চারটি ভ্রাম্যমাণ আদালত।

[৬] রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক জানিয়েছেন- সরকারি প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বাত্মক ‘বিধিনিষেধ’ বা ‘লকডাউন’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ‘কঠোর লকডাউন’ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে।

[৭] সিটি করপোরেশন ছাড়া উপজেলাগুলোতেও সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব টহল দিচ্ছে। এ অবস্থায় কেউ অহেতুক বাইরে ঘোরাঘুরি করলে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তিনি সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান।

সর্বাধিক পঠিত