প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] উৎপাদনশীলতা বাড়ছে না, যা পোশাক শিল্পের অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা: বিজিএমইএ সভাপতি

শরীফ শাওন: [২] প্রতি বছর আমাদের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, নিম্নতম মজূরীও কয়েকবার সংশোধিত হয়েছে। কিন্তু যে কোন কারনে হোক, আমাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ছে না।

[৩] সোমবার কর্মশালা অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান আরও বলেন, এ প্রেক্ষাপটের বিপরীতে উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিল্প প্রকৌশল, পণ্য উন্নয়ন, শিল্পের ডিজিটাল রূপান্তর, শিল্পকে টেকসইকরন, লীন ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করছে। NIPOSH প্রকল্পের মাধ্যমে এ যাত্রা সূচনা হয়েছে।

[৪] বিজিএমইএ জানায়, ল্পের মূল অভিপ্রায় হলো তৈরি পোশাক শিল্পে পেশাজীবিদের মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা এবং কারখানাগুলোর মধ্যে সমষ্টিগত সচেতনতা সৃষ্টি ও একটি শক্তিশালী সংযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

[৫] আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজীর উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী বলেন, এসকল পদক্ষেপের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো নেটওয়ার্ক মিটিং। আশা করি যে, একত্রে কাজ করে প্রকল্পের বর্ণিত সুফল লাভ করতে আমরা সমর্থ হবো। আমি শিল্প আর শিক্ষার এই যৌথ উদ্যোগের প্রশংসা করি। এবং মনে করি এটি আমাদের পাঠ্যক্রম পূনর্বিবেচনা এবং উন্নয়নে একটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

[৬] ঢাকায় ডেনিশ দূতাবাসের সেক্টর কাউন্সেলর সোরেন আলবার্টসেন বলেন, এই প্রকল্পে এমন অনেক কিছু আছে, যা সকলের জন্যই কল্যানজনক। সত্যিকার অর্থে বিজিএমইএ এই প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে নতুন ইনোভেশন সেন্টারে কর্মরত নিজস্ব কর্মীদেরকে উল্লেখিত বিষয়ে শিক্ষিত করার সুযোগও পাচ্ছে। একটি উন্নয়ন প্রকল্প সব সময়ের জন্য বাহ্যিক বিষয়ের উপর নির্ভরশীল হওয়া কাঙ্খিত নয়।

[৭] বিজিএমইএ পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব বলেন, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষন সম্বলিত বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞান না থাকলে আমরা বিশ্ব সরবরাহ চেইনে নিজেদেরকে প্রতিযোগীতামূলক রাখতে পারবো না। সে কারনে বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলোর মিড লেভেল ম্যানেজমেন্টের সামর্থ্য বৃদ্ধির বিষয়ে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহন করেছে। আমরা এই প্রকল্পকে চলমান রাখবো, সে সাথে আগামী দিনে প্রকল্পটি আরও বৃহৎ পরিসরে পরিচালনা করবো।

[৮] প্রকল্প নেতা এবং আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী এর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সারওয়ার মোর্শেদ বলেন, পোশাক শিল্পে বর্তমান এবং আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার পূর্বশর্তই হলো কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা প্রতিপালন এবং উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন। আমি মনে করি, ভবিষ্যত ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েটদের সামর্থ্য সৃষ্টি, পণ্য উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণ এবং কোর্স পাঠ্যক্রম সময়োপযোগীকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা ও শিল্পের এই যোগসূত্র গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে।

[৯] বিজিএমইএ আরও জানায়, এ প্রকল্পের আওতায় মোট ২৫টি কারখানা এসেছে এবং ইতোমধ্যে প্রথম পর্যায়ের কারখানা পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। পরিদর্শনে NIPOSH টিম কারখানাগুলো থেকে মৌলিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশস্থ ডেনমার্ক দূতাবাসের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পটি ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ডেনমার্ক ও বিজিএমইএ এর যৌথ সহযোগিতায়; দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও পেশাগত স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা কেন্দ্র (বিজিএমইএ) এবং আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজীর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত