শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ০২ জুন, ২০২১, ০১:৩৪ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২১, ০১:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্মাতাদের সঙ্গে অনুদান কমিটির বৈঠক

ইমরুল শাহেদ: চিত্রনির্মাতাদের চোখ এখন অনুদানের দিকে। সকলের মধ্যে জল্পনা-কল্পনা চলছে, এ বছর কয়টি ছবি অনুদান পেতে পারে, কারা কারা অনুদান পাবে, অনুদানের এসব ছবি চলচ্চিত্রশিল্প উজ্জীবিত করবে কিনা ইত্যাদি। এর মধ্যেই গত মঙ্গলবার এফডিসিতে প্রায় চূড়ান্ত হওয়া ১৪টি ছবির আবেদনকারী প্রযোজক ও পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল অনুদান কমিটি। সেখানে তাদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ছবিগুলোর গল্পাঙ্গিক, সুযোগ-সুবিধা ও অন্যান্য বিষয়াবলি নিয়ে মত বিনিময় হয়।

বৈঠক শেষে একজন নির্মাতা জানান, তারা নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এই ১৪টি ছবি থেকে বাদ যাবে তিনটি ছবি। এখান থেকে অনুদান পাবে ১১টি ছবি। তিনি উল্লেখ সাতটি ছবি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সেগুলো অনুদান পাবে। এর মানে এ বছর ১৮টি ছবি অনুদান পেতে পারে। উল্লেখ করার বিষয় হলো গত বছর অনুদান পেয়েছে ১৬টি ছবি। তার কয়টি এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে এবং কয়টি ছবি মুক্তি পেয়েছে সেটা কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা যায়নি। প্রশ্ন হচ্ছে, এখনকার চলচ্চিত্রশিল্প একটা অসহায় পরিস্থিতিতে আছে। একদিকে সংকুচিত হয়ে আসছে প্রদর্শন ক্ষেত্র।

অন্যদিকে নিয়মিত প্রযোজক, যারা চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশনাকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন, তারা এখন আর এই ব্যবসায়ের সঙ্গে নেই। এজন্য বাইরে থেকে লগ্নীকারকদের নিয়ে এসে প্রযোজক করে কিছু নির্মাতা ছবি করছেন। কিন্তু এসব লগ্নীকারীরাও প্রশ্ন তুলছেন, বিনিয়োগ তো করবেন, সেটা ফেরত পাবেন কিভাবে? এর জবাবে নানা দিকের কথা বলা হচ্ছে। সিনেমা হল ছাড়াও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও ইউটিউবে ছবি মুক্তি দেওয়া যাবে। তাতে ছবির বিনিয়োগ হওয়া অর্থ লাভ উঠে আসবে। ইউটিউবতো বলতে গেলে ফিল্ম আর্কাইভেই পরিণত হচ্ছে। তবে অনুদানের কাছে চিত্রনির্মাতাদের প্রত্যাশা অনেক। তারা চান অনুদানের অর্থে নির্মিত চলচ্চিত্র দিয়েই চলচ্চিত্রশিল্প উজ্জীবিত হয়ে উঠুক।

  • সর্বশেষ