প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রবল জোয়ারে সেন্টমার্টিনে পল্টুন বিধ্বস্ত, উপড়ে গেছে গাছপালা

ফরিদুল মোস্তফা:[২] ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে প্রবল জোয়ারের পানিতে উপড়ে যাচ্ছে গাছপালা। ভাঙন ধরেছে জেটির পল্টুনে ও রাস্তাঘাটে। তবে মানুষের জানমাল রক্ষায় সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

[৩] দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। যেখানে বসবাস করে প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শঙ্কিত এই দ্বীপের বাসিন্দারা। দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আংতকে দ্বীপের মানুষ নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে।

[৪] মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ঝড়ো হাওয়া ও ঝড়ো বৃষ্টি হয়েছে। তার চেয়ে বেশি আঘাত হানছে প্রবল জোয়ারের পানি। জোয়ারের পানিতে দ্বীপের পাড়ের গাছপালা উপড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ভাংছে রাস্তাঘাট। তাই আমার মতো দ্বীপের সব বাসিন্দাই ভয়ে আছেন।

[৫] সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, দ্বীপের লোকজনক সরিয়ে নেওয়ার মত এখনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ৪ নম্বর সংকেত দেয়া হলে মাইকিং করে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে সব ধরনের আগাম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

[৬] চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, “ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে দ্বীপের উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকের অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। রাস্তাঘাট ভাংছে। আর প্রবল জোয়ারের পানিতে বালিয়াড়িতে থাকা ৫টি ট্রলার ভেঙ্গে গেছে। এছাড়াও প্রবল জোয়ারের পানিতে জেটির পল্টুনটির নানা অংশ ভেঙে বিধ্বস্ত হয়েছে।

[৭] তবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড। কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশনের ইনচার্জ লে. কমান্ডার রাসেল মিয়া বলেন, দ্বীপে সব মিলিয়ে বাসিন্দা রয়েছে ১০ হাজার ২৬ জন। দ্বীপের হোটেল, রিসোর্ট, স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ মিলে ৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে।

[৮] যেখানে ৬ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। লে. কমান্ডার রাসেল মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্রবল জোয়ারের পানিতে জেটির পল্টুন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর সকল ধরণের ট্রলার চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। টেকনাফে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে প্রায় ৫০টির অধিক ট্রলার। আর ছোট ট্রলার, নৌকা ও স্পীডবোটসমূহ দ্বীপের উপকূলে নোঙর করে রাখা হয়েছে। আশা করি, সবার সমন্বয়ে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলা সম্ভব হবে।

[৯] সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের একটি টিম, রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক ও দ্বীপের দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সর্তক অবস্থানে রয়েছে। অবস্থা খারাপ হলে প্রয়োজনে দ্বীপের সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত