শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ১২ মে, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল আহসান: বাংলাদেশে লেখার চেয়ে মৌখিক বয়ানের যে জনপ্রিয়তা বেশি, তা আমরা মওলানাদের দেখেই জানি

কামরুল আহসান: একটা কথা বলা ঠিক হবে কিনা জানি না, তারপরও বলি। সলিমুল্লাহ খান যে-সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বুদ্ধিবৃত্তিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, প্রধান ফুকো-লাকা-দেরিদা, তা নিয়ে তার আগেই এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা করেছিলেন মঈন চৌধুরী। মঈন চৌধুরীই প্রথম আধুনিক পশ্চিমা দর্শন নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা করেন। তিনি যখন ফুকো-লাকা- দেরিদাকে নিয়ে আলোচনা করেন তখন বাংলাদেশে অনেকে এঁদের নামই শুনেনি। অনেকে নাম জানলেও তাদের পড়েননি। তা নিয়ে মঈন চৌধুরী এক লেখায় লিখেছেন দেরিদাকে নিয়ে একটা আলোচনায় তিনি কিছু ভুল করেছিলেন, কিন্তু, সেই ভুল ধরিয়ে দেয়ার মতো লোকও কেউ ছিল না।

সলিমুল্লাহ খান মূলত জনপ্রিয় হন ২০০৫ সালের পর; বিশেষত ২০১০ সালের পর টেলিভিশনের টকশোর মাধ্যমে। পরে ইউটিউব এসেও তাকে জনপ্রিয় করে। কিন্তু কথা হচ্ছে, সলিমুল্লাহ খানের আজ যা খ্যাতি, মঈন চৌধুরীর তা নেই। যারা খুব বইটই পড়েন তাদের অনেককেই আমি জিজ্ঞেস করে দেখেছি মঈন চৌধুরীর নাম শুনেননি। নাম শুনলেও তার কোনো বই পড়েননি। এ-নিয়ে অনেক দিন আগে আমি মোহাম্মদ আজমকে জিজ্ঞেসকে করেছিলাম-এর কারণ কী? সলিমুল্লাহ খান কেন একই বিষয় নিয়ে পরে আলাপ তুলেও মঈন চৌধুরীর চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলেন? মোহাম্মদ আজম উত্তর দিয়েছিলেন, কেউ আলোচনায় এলে তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায়, যে-জনপ্রিয় হয়নি তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায় না। মোহাম্মদ আজম আর বিস্তর ব্যখ্যায় যাননি।

কিন্তু উত্তরটা আমি নিজের কাছে পেয়েছিলাম। সলিমুল্লাহ খান মূলত পারফর্মার। নিজের কথা তিনি লিখেই খ্যান্ত হননি, তা নিয়ে ওয়াজ করেছেন। বাংলাদেশে লেখার চেয়ে মৌখিক বয়ানের যে জনপ্রিয়তা বেশি, তা আমরা মওলানাদের দেখেই জানি।

  • সর্বশেষ