শিরোনাম
◈ ওভারটেক করার সময় শ্যামলী ও এনার সংঘর্ষ, নিহত ২ ◈ এলডিসি উত্তরণ পর্যালোচনা: জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ◈ বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না ইইউ ◈ সৌদি আরবে মাটির নিচে ২৪৪ টন সোনার খনির সন্ধান! ◈ ব্যালটের ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ◈ শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর নতুন করে ভর্তি ফি নেওয়ার প্রথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ শুরু ◈ ঢাকায় পরিত্যক্ত মার্কেট থেকে ভেসে আসছিল দুর্গন্ধ, অতঃপর... ◈ উত্তরায় এলিট ফোর্স সদস্যের শটগান ছিনতাই ◈ অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ঢাকার ৪ থানায় অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৯ ◈ পুরস্কারের অর্থের কী হবে? ব্যাখ্যা দি‌লো নরওয়ের কমিটি

প্রকাশিত : ১২ মে, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল আহসান: বাংলাদেশে লেখার চেয়ে মৌখিক বয়ানের যে জনপ্রিয়তা বেশি, তা আমরা মওলানাদের দেখেই জানি

কামরুল আহসান: একটা কথা বলা ঠিক হবে কিনা জানি না, তারপরও বলি। সলিমুল্লাহ খান যে-সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বুদ্ধিবৃত্তিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, প্রধান ফুকো-লাকা-দেরিদা, তা নিয়ে তার আগেই এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা করেছিলেন মঈন চৌধুরী। মঈন চৌধুরীই প্রথম আধুনিক পশ্চিমা দর্শন নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা করেন। তিনি যখন ফুকো-লাকা- দেরিদাকে নিয়ে আলোচনা করেন তখন বাংলাদেশে অনেকে এঁদের নামই শুনেনি। অনেকে নাম জানলেও তাদের পড়েননি। তা নিয়ে মঈন চৌধুরী এক লেখায় লিখেছেন দেরিদাকে নিয়ে একটা আলোচনায় তিনি কিছু ভুল করেছিলেন, কিন্তু, সেই ভুল ধরিয়ে দেয়ার মতো লোকও কেউ ছিল না।

সলিমুল্লাহ খান মূলত জনপ্রিয় হন ২০০৫ সালের পর; বিশেষত ২০১০ সালের পর টেলিভিশনের টকশোর মাধ্যমে। পরে ইউটিউব এসেও তাকে জনপ্রিয় করে। কিন্তু কথা হচ্ছে, সলিমুল্লাহ খানের আজ যা খ্যাতি, মঈন চৌধুরীর তা নেই। যারা খুব বইটই পড়েন তাদের অনেককেই আমি জিজ্ঞেস করে দেখেছি মঈন চৌধুরীর নাম শুনেননি। নাম শুনলেও তার কোনো বই পড়েননি। এ-নিয়ে অনেক দিন আগে আমি মোহাম্মদ আজমকে জিজ্ঞেসকে করেছিলাম-এর কারণ কী? সলিমুল্লাহ খান কেন একই বিষয় নিয়ে পরে আলাপ তুলেও মঈন চৌধুরীর চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলেন? মোহাম্মদ আজম উত্তর দিয়েছিলেন, কেউ আলোচনায় এলে তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায়, যে-জনপ্রিয় হয়নি তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায় না। মোহাম্মদ আজম আর বিস্তর ব্যখ্যায় যাননি।

কিন্তু উত্তরটা আমি নিজের কাছে পেয়েছিলাম। সলিমুল্লাহ খান মূলত পারফর্মার। নিজের কথা তিনি লিখেই খ্যান্ত হননি, তা নিয়ে ওয়াজ করেছেন। বাংলাদেশে লেখার চেয়ে মৌখিক বয়ানের যে জনপ্রিয়তা বেশি, তা আমরা মওলানাদের দেখেই জানি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়