শিরোনাম
◈ সৌদি আরবের মদিনা অভিমুখে হুথিদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের ◈ সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক কার্গো ফ্লাইট চালুর দাবি, হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গে ◈ পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটির ভেতরে মিলল ধারালো ব্লেড, তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ ২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, চলছে, ডিসেম্বরের মধ্যে হচ্ছে ‘স্মার্ট বন্দর’ ◈ পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হতে হবে শিশুদের: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মহেশখালী থেকে পতেঙ্গা সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে তেল পরিবহণ শুরু হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি পরিচালনায় ◈ নতুন যে দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ◈ বদলি ইব্রাহিমের গোলে ভুটা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের স্বস্তির জয় ◈ সাফে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারাল ভারত ◈ টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

প্রকাশিত : ১২ মে, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০২১, ০৪:০৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল আহসান: বাংলাদেশে লেখার চেয়ে মৌখিক বয়ানের যে জনপ্রিয়তা বেশি, তা আমরা মওলানাদের দেখেই জানি

কামরুল আহসান: একটা কথা বলা ঠিক হবে কিনা জানি না, তারপরও বলি। সলিমুল্লাহ খান যে-সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বুদ্ধিবৃত্তিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, প্রধান ফুকো-লাকা-দেরিদা, তা নিয়ে তার আগেই এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা করেছিলেন মঈন চৌধুরী। মঈন চৌধুরীই প্রথম আধুনিক পশ্চিমা দর্শন নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা করেন। তিনি যখন ফুকো-লাকা- দেরিদাকে নিয়ে আলোচনা করেন তখন বাংলাদেশে অনেকে এঁদের নামই শুনেনি। অনেকে নাম জানলেও তাদের পড়েননি। তা নিয়ে মঈন চৌধুরী এক লেখায় লিখেছেন দেরিদাকে নিয়ে একটা আলোচনায় তিনি কিছু ভুল করেছিলেন, কিন্তু, সেই ভুল ধরিয়ে দেয়ার মতো লোকও কেউ ছিল না।

সলিমুল্লাহ খান মূলত জনপ্রিয় হন ২০০৫ সালের পর; বিশেষত ২০১০ সালের পর টেলিভিশনের টকশোর মাধ্যমে। পরে ইউটিউব এসেও তাকে জনপ্রিয় করে। কিন্তু কথা হচ্ছে, সলিমুল্লাহ খানের আজ যা খ্যাতি, মঈন চৌধুরীর তা নেই। যারা খুব বইটই পড়েন তাদের অনেককেই আমি জিজ্ঞেস করে দেখেছি মঈন চৌধুরীর নাম শুনেননি। নাম শুনলেও তার কোনো বই পড়েননি। এ-নিয়ে অনেক দিন আগে আমি মোহাম্মদ আজমকে জিজ্ঞেসকে করেছিলাম-এর কারণ কী? সলিমুল্লাহ খান কেন একই বিষয় নিয়ে পরে আলাপ তুলেও মঈন চৌধুরীর চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলেন? মোহাম্মদ আজম উত্তর দিয়েছিলেন, কেউ আলোচনায় এলে তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায়, যে-জনপ্রিয় হয়নি তাকে নিয়ে আলোচনা করা যায় না। মোহাম্মদ আজম আর বিস্তর ব্যখ্যায় যাননি।

কিন্তু উত্তরটা আমি নিজের কাছে পেয়েছিলাম। সলিমুল্লাহ খান মূলত পারফর্মার। নিজের কথা তিনি লিখেই খ্যান্ত হননি, তা নিয়ে ওয়াজ করেছেন। বাংলাদেশে লেখার চেয়ে মৌখিক বয়ানের যে জনপ্রিয়তা বেশি, তা আমরা মওলানাদের দেখেই জানি।

  • সর্বশেষ