প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সিলেটের লন্ডনি কন্যা বাবার স্বপ্ন পূরণে অলিম্পিকে ভালো কিছু করতে চান

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর অলিম্পিকে অংশ নেবেন বাংলাদেশের লন্ডন প্রবাসী সাতারু জুনাইনা আহমেদ। তার এই অলিম্পিকে অংশগ্রহণের খবরে মুখরিত লন্ডনের বাংলাদেশি কমিউনিটি। জুনাইনার বাবা জুবায়ের আহমেদ লন্ডন থেকে বলেন, অনেকেই জুনাইনার খোঁজ খবর রাখতেন। লন্ডনে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে দারুণ আনন্দের এক উপলক্ষ্য এনে দিয়েছে জুনাইনা।

[৩] সামনের জুনে ১৮ তে পা দেবেন জুনাইনা। তবে লন্ডনে বেড়ে উঠায় এই বয়সেই যথেষ্ট বাস্তবিক মন্তব্য জুনাইনার। তিনি বলেছেন, খুবই ভালো লাগছে অলিম্পিকে খেলবো বলে। আরও খুশি হব যদি পরের অলিম্পিকে নিজ যোগ্যতায় জায়গা করে নিতে পারি। ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে অংশগ্রহণ করা ক্রীড়াবিদদের কাছে সেই অর্থে প্রত্যাশা থাকে না। কিশোরী জুনাইনাও সেটা বোঝেন, আমার টাইমিং উন্নত করাই হবে মূল লক্ষ্য। গেমসের আগে বাকি সময়টুকু সেভাবে কাটাতে চাই।

[৪] ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল ইভেন্টে জুনাইনার সেরা টাইমিং ২৯.০৩ সেকেন্ড। অলিম্পিকে টাইমিং ২৮ সেকেন্ডে নামিয়ে আনাই তার লক্ষ্য, বাংলাদেশ গেমসে সময় বেশি লেগেছে। কারণ অনেক দিন অনুশীলনের বাইরে ছিলাম। সামনে দুই তিন মাস অনুশীলন করতে পারলে ২৮ সেকেন্ডের মধ্যে ৫০ মিটার শেষ করতে পারব আশা করি। এপ্রিল শেষ হতে চলছে। অলিম্পিক শুরু হতে আর মাস তিনেক বাকি। এই সময় ইংল্যান্ডেই অনুশীলন করবেন জুনাইনা।

[৫] জুনাইনার বাবা জুবায়ের আহমেদ সিলেটের সুনামগঞ্জের সন্তান। ২০০১ সালে ইংল্যান্ডে যান। তার স্ত্রীও বাংলাদেশি তবে তার শ্বশুর আগে থেকেই লন্ডনে স্থানীয় ছিলেন। জুবায়েরের স্বপ্ন ছিল তার মেয়েকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করাবেন। সেই ইচ্ছে অনেকটাই পূরণ হওয়ায় খানিকটা তৃপ্ত। তিনি বলেন, লন্ডনে থাকলেও অনেক কষ্ট হয় আমার মেয়েদের সাঁতারের জন্য। আমার চার বা”চাকেই সাঁতারে দিয়েছি। এখানে শেখানো ব্যয়বহুল। জুনাইনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাঁতার ভালো কিছু অর্জন করলে সেটাই আমার প্রাপ্তি হবে।

[৬] জুনাইনা বাবার সিদ্ধান্তকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আসলে বাংলাদেশের হয়ে না খেললে আমি এই সুযোগ পেতাম না। আমি একজন বাংলাদেশি হিসেবে গর্বিত। আমার এখনো অনেক সময় সাঁতারকে দেওয়ার আছে। আমি বাংলাদেশের সাঁতারকে বিশেষ উ”চতায় নিতে চাই। – তথ্য সূত্র ঢাকাপোস্ট

সর্বাধিক পঠিত