প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৯৫৫ সালের পর ভারতে প্রথম ফাঁসিকাষ্ঠে চড়তে যাচ্ছেন এক নারী

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ছোট সন্তান থাকলেও মৃত্যুদণ্ডের রেওয়াজ না থাকলেও এবার এতিম হতে যাচ্ছে ১২ বছরের সন্তান [৩]মানবাধিকার কর্মীদের ধারণা, মুসলিম বলেই হচ্ছে সাজা কার্যকর।

[৪] ২০০৮ সালে উত্তর প্রদেশের বাওয়ান খেরি গ্রামের শবনম তার দুই ভাই, মা, ভাবি আর ১৪ বছর বয়সী কাজিনকে হত্যা করে। এই মামলা আলোচনায় এসেছিলো কারণ, ১০ মাসের শিশু সহ শবনম সেসময় নিজ পরিবারের ৭ সদস্যকে শুধু হত্যাই করেনি, সেসময় সে ৮ মাসের অন্ত:স্বত্তা ছিলো। এরপরই তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। সিএনএন

[৫] রায় কার্যকর হলে, ১৯৫৫ সালের পর তিনিই হবেন প্রথম নারী যার ফাঁসি হবে। শবনমের আইনজীবীরা এটি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। আইনজীবী শ্রেয়া রাস্তোগি বলছেন, তার মক্কেল পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার শিকার, একই সঙ্গে দায় বর্ণ প্রথার। শবনম কখনই তার অপরাধ স্বীকার করেননি। শবনমের প্রেমিক সেলিম, এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অংশীদার। তার ফাঁসি হয়ে গেছে।

[৬] এই ঘটনার আরেক ভিক্টিম শবনমের ছেলে বিট্টু। মেয়েটি তাকে জেলেই বড় করেছে। ্টরেপর একজনের কাছে দত্তক দিয়ে দেন। এখন ১২ বছরের ছেলেটি ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দের কাছে মায়ের প্রাণভিক্ষার আবেদন করছেন।

[৭] শবনম ও সেলিমের প্রেম তাদের পরিবার তখনও মানেনি। খুনের সময় সাইফি সম্প্রদায়ের শবনমের বয়স ছিলো ২২ বছর। আর সেলিম ছিলো ২৪ বছর বয়সের বেকার পাঠান। ভারতে হিন্দু সমাজে বর্ণ প্রথা দেখা গেলেও মুসলমানদের মঝেও আছে। সেসময় শবনম অন্ত:সত্তা হয়ে গেলে, তারা পরিবারের সকলকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

 

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত