শিরোনাম
◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ২০ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছোট ভাইয়ের চোখে দৃষ্টি ফিরে পেলেন বড় ভাই

ডেস্ক রিপোর্ট : সুমন শেখ (৩২) দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টিহীনতায় ভুগছেন। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতিতে কর্ণিয়ার জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৬ মাস হল। অপেক্ষায় রইলেন কোনো এক মহৎ হৃদয়ের মরণোত্তর চক্ষুদাতার আশায় যার দানকৃত কর্ণিয়া সুমন শেখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিবে।

কিন্তু হঠাৎ করেই রোববার (১৮ এপ্রিল) একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সুমন শেখের ছোট ভাই সুজন শেখ (৩০) মারা যান। প্রিয়জনের শোক কাটিয়ে উঠা সহজ নয়। ছোট ভাইয়ের এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু মেনে নেয়া সুমন শেখের জন্যও সহজ ছিল না।

তবুও সুমন শেখ সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতিতে যোগাযোগ করলেন মৃত ভাইয়ের কর্ণিয়া দান করার জন্য। জানতে পারলেন মৃত ভাইয়ের চোখের কর্ণিয়া তার চোখে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তিনিও ফিরে পেতে পারেন দৃষ্টি।

অবশেষে সোমবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আব্দুল কাদেরের মাধ্যমে সফল কর্ণিয়া প্রতিস্থাপন হল সুমন শেখের। ছোট ভাইয়ের কর্ণিয়ায় দৃষ্টি ফিরে পেলেন বড় ভাই। এভাবে পরিবারের সদস্যের মাধ্যমেও দৃষ্টি ফিরে পেতে পারেন অন্ধ ব্যাক্তি।

১৯৮৪ সাল থেকে অন্ধত্ব মোচনের লক্ষ্যে কাজ করছে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি। বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন মোতাবেক যে কোন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় কিংবা মৃত্যুর পর তার আইনানুগ নিকট আত্মীয়ের অনুমতি সাপেক্ষে মরণোত্তর চক্ষুদান বিধি সম্মত।

চোখে আঘাত প্রাপ্ত হলে, বিভিন্ন দুর্ঘটনায়, কিংবা কর্ণিয়ায় আক্রান্ত বিভিন্ন রোগের মাধ্যমে যেকোনো মানুষের চোখের কর্ণিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর একমাত্র সমাধান কর্ণিয়া প্রতিস্থাপন। এভাবেই একজন মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া চোখ ফিরিয়ে দিতে পারে একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর হারানো দৃষ্টি।

অনেকে চক্ষুদান বিষয়ে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে। এর মূল কারণ সচেতনতার অভাব অথবা ধর্মীয় ভুল ব্যাখ্যা। তাই কুসংস্কার ভুলে মরণোত্তর চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি আহ্বান জানিয়েছে। একইসাথে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকার, গণমাধ্যম, স্বেচ্ছাসেবীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
সূত্র- সময়.টিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়