শিরোনাম
◈ নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে জটিলতা, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কাঠামো ◈ নতুন স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন উদ্ভাবন ও অংশীদারিত্ব: জুবাইদা রহমান ◈ আগস্টে তফসিল, অক্টোবরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা ◈ জাতীয় জাদুঘরে জাপানি স্থপতি তাদাও আন্দোর নকশায় তৈরি হচ্ছে আধুনিক শিশু গ্রন্থাগার ◈ সেনা মহড়ায় আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি, বাঙ্কারে নেমে সৈনিকদের সঙ্গে মতবিনিময়, খেলেন একসঙ্গে খাবার ◈ চট্টগ্রামে মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৩০.৮ মিমি বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় ডুবল নগর; ভেঙেছে সড়ক, স্থগিত পরীক্ষা ◈ নতুন নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ◈ এনআইডি সংশোধনের জরুরি সেবা ইটিআই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, এখন মিলবে স্থানীয় নির্বাচন অফিসে ◈ বঙ্গোপসাগরের গ্যাস না তুলে উল্টো আমদানি, নীতিগত ভুলে আড়াই লাখ কোটি টাকার খেসারত ◈ ছয় দিনের বিরতি শেষে আজ আবার বসছে সংসদ

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৪০ রাত
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চিকিৎসকদের আবার মুভমেন্ট পাস লাগবে কেন: ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক: বুধবার থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। এই লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ নাগরিকদের বের হতে হলে, পুলিশের কাছ থেকে নিতে হচ্ছে মুভমেন্ট পাস। কিন্তু চলমান লকডাউনে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক চিকিৎসক। মুভমেন্ট পাস না থাকায় কারও কারও বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে অনেকের অভিযোগ। এতে করোনার এ দুঃসময়ে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

যদিও চিকিৎসক ও সাংবাদিকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের মুভমেন্ট পাস লাগবে না বলে আগেই জানানো হয়েছিল। কিন্তু মুভমেন্ট পাসের আওতামুক্ত হওয়া সত্ত্বেও লকডাউনের প্রথম দিন বুধবার সকালে কর্মস্থলে যেতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক চিকিৎসক। তারা বলছেন, চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে আইডি কার্ড প্রদর্শনের পরও তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়- ‘আপনি যে ডাক্তার তার প্রমাণ কী?’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে ইউজিসির অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, শুনেছি অনেক চিকিৎসক নাকি আজকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাস্তায় বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের কাছে নাকি মুভমেন্ট পাস চাওয়া হয়েছে। কেউ কেউ আবার নাকি মামলার শিকারও হয়েছেন। পরিচয় দেওয়ার পরও তার নামে মামলা দেওয়া উচিত হয়নি। যেহেতু তিনি জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিতদের মধ্যে পড়েন। … সত্যি কথা বলতে কী, এটা ঠিক না। হাসপাতালে জরুরি বিভাগ তো খোলা, সে হিসেবে চিকিৎসকরা তো অবাধে কর্মস্থলে যেতে পারার কথা। তা না হলে তারা এতো রোগীর চিকিৎসা কীভাবে দেবেন? তারা যে কষ্ট করে যাচ্ছেন, এটাই তো বেশি। আর যেন এমন না হয়, তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। আশা করি, এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

-বিডি প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়