শিরোনাম
◈ তারেক–এরদোগান বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কে নতুন সহযোগিতার দিগন্ত ◈ প্লাস্টিক দূষণ রুখতে বিশ্বকে বাংলাদেশের ‘সোনালি আঁশ’ পাটের দিকে তাকানোর আহ্বান ◈ বাড়ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী এম‌পি‌দের সম্মানি ◈ আগামী পাঁচ বছ‌রে আন্তর্জা‌তিক ক্রিকেট সূচিতে বাড়বে টি-২০, কমবে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ ◈ গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধ, নিষ্ক্রিয়তার জন্য সবার লজ্জিত হওয়া উচিত: ম্যাক্রোঁ (ভিডিও) ◈ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার চান এরদোগান, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির আহ্বান ◈ ব‌্যা‌টিং কোচ আশরাফুল বল‌লেন, আফগানিস্তানকে হারাতে সব ধর‌নের কৌশল প্রয়োগ কর‌বে বাংলাদেশ ◈ কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য: দেশে সক্রিয় ৩৮৬ গ্যাং, জড়িত ৪ হাজার ২৫০ কিশোর ◈ ‘৫ ম্যাচ ফিক্সিং করে ৩ কোটি নিয়েছি’: আইপিএলে গড়াপেটার অভিযোগ, চেন্নাইয়ের ক্রিকেটারের দিকে সন্দেহের তির ◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৪০ রাত
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চিকিৎসকদের আবার মুভমেন্ট পাস লাগবে কেন: ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক: বুধবার থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। এই লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ নাগরিকদের বের হতে হলে, পুলিশের কাছ থেকে নিতে হচ্ছে মুভমেন্ট পাস। কিন্তু চলমান লকডাউনে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক চিকিৎসক। মুভমেন্ট পাস না থাকায় কারও কারও বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে অনেকের অভিযোগ। এতে করোনার এ দুঃসময়ে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

যদিও চিকিৎসক ও সাংবাদিকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের মুভমেন্ট পাস লাগবে না বলে আগেই জানানো হয়েছিল। কিন্তু মুভমেন্ট পাসের আওতামুক্ত হওয়া সত্ত্বেও লকডাউনের প্রথম দিন বুধবার সকালে কর্মস্থলে যেতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক চিকিৎসক। তারা বলছেন, চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে আইডি কার্ড প্রদর্শনের পরও তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়- ‘আপনি যে ডাক্তার তার প্রমাণ কী?’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে ইউজিসির অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, শুনেছি অনেক চিকিৎসক নাকি আজকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাস্তায় বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের কাছে নাকি মুভমেন্ট পাস চাওয়া হয়েছে। কেউ কেউ আবার নাকি মামলার শিকারও হয়েছেন। পরিচয় দেওয়ার পরও তার নামে মামলা দেওয়া উচিত হয়নি। যেহেতু তিনি জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিতদের মধ্যে পড়েন। … সত্যি কথা বলতে কী, এটা ঠিক না। হাসপাতালে জরুরি বিভাগ তো খোলা, সে হিসেবে চিকিৎসকরা তো অবাধে কর্মস্থলে যেতে পারার কথা। তা না হলে তারা এতো রোগীর চিকিৎসা কীভাবে দেবেন? তারা যে কষ্ট করে যাচ্ছেন, এটাই তো বেশি। আর যেন এমন না হয়, তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। আশা করি, এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

-বিডি প্রতিদিন

  • সর্বশেষ