শিরোনাম
◈ সন্ধ‌্যায় বাংলা‌দেশ-আফগা‌নিস্তান মু‌খোমু‌খি, ফাইনালে যেতে টাইগার‌দের সামনে কঠিন সমীকরণ ◈ ৫০ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণার পর সেই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার ◈ বাংলাদেশ-নেপালের সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের তুলনা নাকচ করলেন অভিজিৎ দিপকে ◈ নগদনির্ভর লেনদেনে বছরে ৯৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার ◈ মা‌ছের পোনা কিন‌তে খরচ ২ কো‌টি ৯০ লাখ টাকা, সেই পোনা বাঁও‌রে ছাড়তে খরচ ৪৫ কোটি: মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প ◈ প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এগিয়ে যাওয়ার পরই বদলি রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার (ভিডিও) ◈ বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর ‘তাপঝড়’, প্রভাব পড়েছে পৃথিবীর ৮৫ শতাংশ এলাকায় ◈ ফোডেনের হ্যাটট্রিক, ম‌্যান‌চেস্টার সিটির বড় জয় ◈ বৃহস্প‌তিবার থেকে চট্টগ্রামে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‌ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হ‌চ্ছে ◈ রজনীকান্তের টানে হলের সব টিকিট কিনলেন ক্রিকেটার সঞ্জু স‌্যামসন!

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ