শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার ◈ দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা ◈ বেনজীর প্রত্যর্পণে দ্রুত পদক্ষেপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন ◈ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সংসদে মির্জা ফখরুল ◈ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র ক‌রে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এবার এআই নজরদারি: টহলে নামছে রোবট, ড্রোন ও স্মার্ট ফাইবার সেন্সর! ◈ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ একনেক সভায় ৫ উন্নয়ন প্রকল্প পাস, ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ◈ খাদ্যের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের চাপ, তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ তথ্য

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়