শিরোনাম
◈ পাঁচ বছরে সাড়ে আট লাখ থেকে তিন লাখ, শেয়ারবাজারে নিঃস্ব ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা! ◈ একসময় চারদিকে আওয়ামী লীগের সমর্থক দেখা গেলেও এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে: সাকিব আল হাসান ◈ বাংলাদেশের 'হিন্দুদের অবস্থা' দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আরএসএস যেভাবে প্রচারণা চালিয়েছে ◈ ১১০ সিসির ওপরে মোটরসাইকেলে বাড়তি কর, অটোরিকশাও আসছে আয়করের আওতায়, বছরে রাজস্ব আসতে পারে ১৫২০ কোটি টাকা ◈ এবার শিক্ষকদের জন্য যে সতর্ক বার্তা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ◈ স্মার্ট আইডিয়াই বিশ্ব শাসন করছে, সময়োপযোগী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব কমানো সম্ভব নয়: তারেক রহমান ◈ রাজশাহীতে যুবককে গাছে বেঁধে লাঠিপেটা, তোলপাড় সামাজিক মাধ্যমে ◈ ৭১৭টি রাষ্ট্রীয় মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের ◈ হামের ভয়াবহতার মধ্যে ভয় দেখাচ্ছে ডেঙ্গু! ◈ কুমিল্লায় বারান্দার গ্রিলে ঝুলন্ত যুবকের ভিডিও ভাইরাল, পরে মিলল ভিন্ন তথ্য

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়