শিরোনাম
◈ তারেক–এরদোগান বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কে নতুন সহযোগিতার দিগন্ত ◈ প্লাস্টিক দূষণ রুখতে বিশ্বকে বাংলাদেশের ‘সোনালি আঁশ’ পাটের দিকে তাকানোর আহ্বান ◈ বাড়ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী এম‌পি‌দের সম্মানি ◈ আগামী পাঁচ বছ‌রে আন্তর্জা‌তিক ক্রিকেট সূচিতে বাড়বে টি-২০, কমবে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ ◈ গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধ, নিষ্ক্রিয়তার জন্য সবার লজ্জিত হওয়া উচিত: ম্যাক্রোঁ (ভিডিও) ◈ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার চান এরদোগান, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির আহ্বান ◈ ব‌্যা‌টিং কোচ আশরাফুল বল‌লেন, আফগানিস্তানকে হারাতে সব ধর‌নের কৌশল প্রয়োগ কর‌বে বাংলাদেশ ◈ কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য: দেশে সক্রিয় ৩৮৬ গ্যাং, জড়িত ৪ হাজার ২৫০ কিশোর ◈ ‘৫ ম্যাচ ফিক্সিং করে ৩ কোটি নিয়েছি’: আইপিএলে গড়াপেটার অভিযোগ, চেন্নাইয়ের ক্রিকেটারের দিকে সন্দেহের তির ◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ