শিরোনাম
◈ আইইডিসিআর পরিচালককে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ◈ তরুণ ফুটবলার ইয়ামাল ব্যালন ডি’অর ও ব্যক্তিগত ট্রফি অনেক জিতবে ◈ শাকিলের জানাজায় এমপিকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান, পরে শপিং মলে ভাঙচুর-লুটপাট ◈ বাংলাদেশের যে ৫ খাতে জাপানি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, সিসিটিভির আওতায় পুরো এলাকা ◈ চতুর্থ বিভাগের ক্লাবের কাছে টাইব্রেকারে ধরা আর্সেনাল ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা: কোন কাজ করা যাবে, জানাল দূতাবাস ◈ ইউএইতে জনতা ব্যাংকের ৪ শাখা বন্ধের শঙ্কা, সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চায় পর্ষদ ◈ রপ্তানি বাড়াতে চীনের ৬ বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু, মানতে হবে নতুন নিয়ম

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ