শিরোনাম
◈ গৃহকর্মী‌কে ধর্ষণ, পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার আব্দুল কা‌দি‌রের ছেলে সুলামান কাদির গ্রেফতার ◈ প্রার্থীদের কথা লড়াই চলছে, কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কা ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ দুই বিমান সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের বহু ফ্লাইট বাতিল করল ◈ ২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান, বৃহস্পতিবার যাবেন রাজশাহীতে ◈ চানখারপুলে ৬ হত্যা: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুরসহ ৮ জনের রায় আজ ◈ গাবতলীতে চালু হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার ◈ নারায়ণগঞ্জে মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার তারেক রহমানের ◈ গভীর রাতে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জন! ◈ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ প্যারোল কী, কারা পান এবং কীভাবে—বাংলাদেশের আইন কী বলে

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়