শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের ২৫ বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ◈ ১৫ বছরে দেশের ২১ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, গ্লোবাল ফ্রড সামিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শহীদ মিনারে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা, জানা গেল নেপথ্যের ‎কারন ◈ রহস্যে ঘেরা জাবি শিক্ষার্থী শারমিন হত্যা, স্বামী ফাহিম রিমান্ডে ◈ খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে ২৬ কোটি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার সেই প্রতারক ◈ নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’র খবরে রহস্যের জট, এআই বিতর্কের পর এলো নতুন ভিডিও ◈ দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ইবাদত বন্দেগিতে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর ◈ রেশনিং তুলে নেয়ার পর পাম্পে দীর্ঘ লাইন কমতে শুরু করেছে ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ ঋণ নয়, বিনিয়োগে জোর—সঙ্গে ভাবনায় ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৭ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৫০ শতাংশ শ্রমিকে কারখানা চলবে না, সরকারকে বিজিএমইএ’র চিঠি

বাশার নূরু: [২]মহামারি করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা, অফিস-আদালত চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে গার্মেন্টস কারখানা চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক। তবে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

[৩]বৃহস্পতিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ বিষয়ে বিজিএমইএ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউ সামলে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু করেছে। কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতার অর্ডার আসছে ও শিপমেন্ট চলছে। এ অবস্থায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ জনবল দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হলে কারখানাগুলো সময়মতো শিপমেন্ট করতে পারবে না। ফলে আরও বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় কারখানাগুলো সরকার প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেছিল বিধায় তৈরি পোশাক শিল্পে করোনার সংক্রমণ ছিল ০.০৩% এর নিচে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম ঢেউয়ের পর করোনার সংক্রমণ কমলেও কারখানার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ শিথিল করা হয়নি।

[৫]রুবানা হক লিখেছেন, কারখানাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। কারখানা খোলা ও বন্ধের সময় গেটে যেন শ্রমিক সমাবেশ না ঘটে, সেজন্য কারখানাগুলো শ্রমিক প্রবেশ ও বহির্গমনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুসরণ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়