প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ওসির কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় নারী পুলিশ কর্মকতার স্বামীকে শিবিরকর্মী সাজিয়ে মামলা করার অভিযোগ

মঈন উদ্দীন:[২] গত বুধবার রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে দুই ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগটি করেন ওই নারী পরিদর্শক।

[৩] বর্তমানে তিনি রাজশাহীর চারঘাটে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্তি হিসেবে কর্মরত আছেন। তার মূল কর্মস্থল ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

[৪] অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ একাডেমীর অধ্যক্ষ খন্দকার গোলাম ফারুক সুপাারিশ করেছেন।

[৫] অভিযোগ ওঠা দুই ওসি হলেন- আরএমপির বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ এবং দামকুড়া থানায় কর্মরত ওসি মো. মাহবুব আলম। এদের মধ্যে মাহবুব আলম অভিযোগকারী নারী পুলিশ কর্মকর্তার সাবেক স্বামী। ২০১৮ সালে মাহবুবের সঙ্গে হোসনে আরার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তা আলাদা বিয়ে করেন। ওসি মাহবুবও পরে পুলিশে কর্মরত আরেক নারীকে বিয়ে করেন।

[৬] অভিযোগে ওই নারী পরিদর্শক উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালে পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলমের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। মাহবুব আলম বর্তমানে রাজশাহী মহানগরের দামকুড়া থানার ওসি হিসেবে কমরত আছেন। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে আমি নিরুপায় হয়ে ২০১৮ সালে মাহবুব আলমের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ ঘটাই। এরপর থেকে মাহবুব আলম আমাকে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য বিভিন্নভাবে বিরক্ত করে।

[৭] অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ রাজশাহীতে যোগদান করার পর আমার সাথে পরিচয় হলে আমি তাকে কথা প্রসঙ্গে আমার বিষয়টা জানাই। এরপর থেকে নিবারন চন্দ্র বর্মন আমাকে বিভিন্ন সময় বিরক্ত করতে থাকেন।

[৮] অভিযোগে ওই নারী আরও লিখেন, গত ১৬ মার্চ রাত দেড়টার সময় আমার বর্তমান স্বামী মাহবুব হুসাইন আমাকে ফোন করে বলে যে, বাসায় পুলিশ এসেছে। আমি আমার স্বামীর ফোন থেকে বোয়ালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) লতিফের সঙ্গে কথা বলি। তারা তখন আমার শ্বশুর-শাশুড়ির বাসা থেকে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পুনরায় এসে আমার স্বামীকে নিয়ে যায়।

[৯] ওসি মাহবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই ধরনের ঘটনা সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

[১০] তিনি বলেন, আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তারপর ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। এরপর থেকে তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নাই। সে আমাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।

[১১] ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ওই নারীর সঙ্গে কোনো আপত্তিকর কথা হয়নি। তার স্বামীকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু স্বামীকে বাঁচাতে সে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে বলেও জানান ওসি। সম্পাদনা: মুরাদ হাসান

 

সর্বাধিক পঠিত