শিরোনাম
◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবির মধ্যেই পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ◈ ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন ◈ কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে ৮৭ প্রজাতির প্রজাপতি শনাক্ত, গবেষণায় উঠে এলো ১০৩ পোষক উদ্ভিদের গুরুত্ব ◈ ভারতীয়দের গোমূত্র পান নিয়ে উপহাস ইসরায়েলি পণ্ডিতের! (ভিডিও) ◈ গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ থেকে দুই পুলিশ বক্সে আগুন, মহাসড়ক অবরোধ ◈ বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলায় জামিন পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান ◈ ম্যান সিটিকে হারিয়ে কারাবাও কাপের হারের প্রতিশোধ ব্রাইটনের ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ফের মিরপুর-১০ অবরোধ, যান চলাচল ব্যাহত ◈ কুমিল্লায় অস্ত্র হাতে স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল, ‘এসবিএস’ গ্রুপের ৪ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:১৮ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কারাগারে নারীসঙ্গ: ১১ জন সাসপেন্ড, বিভাগীয় ব্যবস্থার আওতায় আরও ৭

ডেস্ক রিপোর্টে: গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর ভেতর নারীসঙ্গের ঘটনায় জ্যেষ্ঠ জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ ১১ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আরও সাতজনের বিরুদ্ধে।

হলমার্কের বিতর্কিত জিএম কারাবন্দি তুষার আহমেদ কারাগারের নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনায় এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কয়েদির সঙ্গে কারাগারে এক নারীর সময় কাটানোর সময় এসব কর্মকর্তা সেখানে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনার এই চিঠি কারাগারে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় বরখাস্ত করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায়, জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধা এবং ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েনকে। এ ছাড়া বরখাস্তের তালিকায় রয়েছেন কারারক্ষী, একজন সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও সার্জেন্ট ইনস্ট্রাক্টর।

নারীসঙ্গের ঘটনার একাংশ কারাগারের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে কারা অধিদপ্তর ও গাজীপুর জেলা প্রশাসন দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ ঘটনায় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায়সহ তিনজনকে প্রত্যাহার করে কারা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

জানা গেছে, বুধবার তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে জমা দেয়। ৪৯ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে গতকাল ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

প্রতিবেদনে তদন্ত কমিটি মোট ২৫টি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সাময়িক বরখাস্ত করা, চাকরিবিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, কেন্দ্রীয় কারাগারের বদলে জেলা কারাগারে পদায়ন করা প্রভৃতি। তদন্ত কমিটি আরও অনেক অনিয়ম খুঁজে পেয়েছে। এ ছাড়া সারাদেশের কারাগারগুলোয় সিসি ক্যামেরা বসানো এবং তা তদারক করার সুপারিশ করা হয়।

গত ৬ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসমা নামের ওই নারী কারাগারের ভেতর ঢোকেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বেরিয়ে যান। সিসি ক্যামেরায় পুরো সময়টা ধরা পড়েনি। এর মধ্যে নানা রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। একটি অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে তিনি কারাফটকে আসার পর ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন ও সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ওই নারীকে অন্য কর্মচারীদের সামনেই গ্রহণ করেন। এর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই নারী তুষার আহমেদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটান। সূত্র: সমকাল

  • সর্বশেষ