প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জাতীয় সংসদের রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর দ্বিতীয় দিনের মতো আলোচনা শুরু, দ্রুততম সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তাব

মনিরুল ইসলাম: [২] একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ উন্নয়নের দলিল। তিনি তার ভাষণে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের সঠিক চিত্র তুলে ধরেছেন। তারা বলেন, ভার্চুয়ালি পাঠদান চলছে। তবে গ্রামের শিক্ষার্থীরা এই পাঠদানে উপকৃত হচ্ছে না। তাই দ্রুততম সময়ে স্কুল খুলে দেবার অনুরোধ জানান। তারা বলেন, টিকা নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করছে। ভারত ২০ লাখ উপহার টিকা দিচ্ছে। আর তারা বলছে টিকা নিয়ে নাকি দুর্নীতি হচ্ছে।
তারা বলেন, যারা দেশ চায় নাই তারা দেশের মঙ্গল করবে কি করে।

[৩] রাষ্ট্রপতির ভাষণ আলোচনায় দ্বিতীয় দিনের মতো অংশ নেন সরকারি দলীয় সদস্য মোতাহার হোসেন, বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, সোলেয়মান হক জোয়ার্দার। আলোচনা চলছে।

[৪] বছরের প্রথম অধিবেশন গত সোমবার বিকেশে শুরু হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ-এর ভাষণ শেষে মূলতবি করা হয়। এই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর সাধারণ আলোচনা ছাড়াও অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল পাসের সম্ভাবনা রয়েছে। মুলতবি অধিবেশন আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় শুরু হয়। এ অধিবেশন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত রয়েছেন।

[৫] অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী। সমর্থন করেন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ। প্রস্তাব উত্থাপিত হবার পর প্রশ্ন- জিজ্ঞাসা টেবিলে উত্থাপিত হয়। এখন আইন প্রণয়ন কার্যাবলী ওপর আলোচনা চলছে।
শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, খুলনা বিল সংসদে উপস্থাপন করা হয়।

[৬] এদিকে, রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও করোনা পরিস্থিতির কারণে সংসদ অধিবেশনে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। করোনা নেগেটিভ নিশ্চিত হয়েই সংসদ সদস্যসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।

[৭] সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অন্যান্য বছর এই অধিবেশনটি দীর্ঘ হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে বিগত অধিবেশনের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরিচালনা হবে। এরআগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে আহুত সংসদের বিশেষ অধিবেশনসহ গত ৪টি অধিবেশন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করা হয়। প্রতি কার্যদিবসে ৭০-৮০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। করোনা ঝুঁকি এড়াতে মাঝখানে গ্যাপ দিয়ে দিয়ে আসন বিন্যাস করা হয়।

[৮] এরআগে গত ১৯ নভেম্বর সংসদের ১০ অধিবেশন শেষ হয়। ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে আহুত গত ৮ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া অধিবেশন ছিলো সংসদের বিশেষ অধিবেশন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত