প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে দুই ভাইয়ের প্রতারণা!

সুজন কৈরী : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুদক কর্মকর্তাদের নাম ও পদবী ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও প্রতারনার প্রতারণার অভিযোগে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ। তারা হলেন সহোদর ভাই দ্বীন ইসলাম ও নুরুল ইসলাম।

সোমবার রাজধানীর খিলক্ষেতের রাজউক ট্রেড সেন্টারের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম। সহকারী পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে অভিযানটি চালানো হয়।

হয়। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ইংরেজিতে হোম মিনিষ্ট্রি লেখা আইডি কার্ড, অতিরিক্ত সচিব জ্যোতিময় দত্তের স্বাক্ষরিত অফিস সহকারী চুক্তিভিক্তিক নিয়োগপত্র একটি, উপসচিব ফারজানা জেসমিনের স্বাক্ষরিত একটি প্রত্যয়নপত্র, পিএমওর ফিল্ড অফিসার নিয়োগের প্রবেশপত্র একটি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ৪টি সিল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি ডায়েরি, পুলিশের মনোগ্রাম সম্বলিত নেভী বøু রঙয়ের একটি ব্যাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের একটি প্যাড জব্দ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের কাছে ২ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দুজনই আপন ভাই। বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের বাড়ি। ঢাকায় এসে প্রতারণার আশ্রয় নেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দীন ইসলাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি করেন বলে পরিচয় দেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ন সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একজন উপ-সহকারী পরিচালকের নাম-পদবী ব্যবহার করে গরীব এবং অসহায় লোকদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদের স্বরাষ্ট্র ও দুদকের কর্মচারী হিসেবে কাজ করে বলে পরিচয় দেন এবং ওই কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

ডিবি গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় মামলা হয়েছে। তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুদকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নাম এবং পদবি ব্যবহার করে চকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অসংখ্য লোকজনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা, গাজীপুর, বরিশাল ও বরগুনাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত