প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাহমুদুল হক: পতাকার অবমাননার ঘটনায় অভিযোগকারী হিসেবে আমার বক্তব্য

মাহমুদুল হক: প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকাকে বিকৃত করে তৈরি ও অবমানকর অবস্থায় উপস্থাপন করলে আমি একজন সংক্ষুব্ধ নাগরিক হয়ে ওইদিন রাত ১২:৫৯ টায় ফেসবুকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আমি ও আমার এক সহকর্মীকে নিয়ে রংপুর তাজহাট থানায় গিয়ে বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(২), ৭(ক) এবং জতীয় পতাকা বিধিমালা লঙ্ঘন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সাতজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। কারণ জাতীয় পতাকা আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক।

তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্ত ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ সংগ্রামের পর আমরা এ পতাকা পেয়েছি। এর মর্যাদা একজন নাগরিক হিসেবে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হতে দিতে পারি না। জাতীয় পতাকার সম্মানে আঘাত মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই আঘাত। তাই আমি এ বিষয়ে মামলার উদ্যোগ নেই, অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু এক টেলিভিশন চ্যানেলে একজন ওই অভিযোগে অভিযুক্ত বলেছেন, আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে ‘মতপার্থক্যের’ কারণে নাকি আমি এটিকে জাতীয় ইস্যু বানাতে চেয়েছি। আমি রাষ্ট্রের একজন নাগরিকের দায়িত্ব পালন করেছি, ‘মতপার্থক্যের’ জন্য নয়। প্রকারন্তরে তিনি যারা পতাকা অবমাননা করছেন তাদের রক্ষা ও সহযোগিতার জন্য একথা বলেছেন। তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়ে এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি।

আমি একজন নাগরিক হয়ে আমার দায়িত্ব পালন করেছি, পতাকা অবমাননার অভিযোগ এনেছি। এটা ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়, জাতীয় পতাকা তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়। ‘মতপার্থক্য’ বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন, তারা কোন মতের আমি তা জানি না তবে আমার মত, জাতীয় পতাকা তথা স্বাধীনতার পক্ষে। উল্লেখ্য যে, অভিযোগকারী আমাদের কাউকে ওই টিভি টকে মত দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত