শিরোনাম
◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ স্পীকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্ব ◈ ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত—নির্দলীয় ভোটেও বিএনপি-জামায়াতের সমর্থনেই জমবে লড়াই ◈ ছাত্রদলের দুই ধারার দ্বন্দ্বে ইতি, একই মঞ্চে আমান–রিজভী: রাজনীতিতে নতুন বার্তা ◈ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত প্রতিবেদন ◈ উদ্বোধনী ম‌্যা‌চে ভারত-পা‌কিস্তান মু‌খোমু‌খি, সাফে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ ভুটান

প্রকাশিত : ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল
আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজী নাসিরুদ্দীন আহমেদ: বাংলাদেশকে আরেকটি পাকিস্তান বানানোর ওপেনিং শটটা ছিলো ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

গাজী নাসিরুদ্দীন আহমেদ: যুদ্ধাপরাধী অনেকের বিচার হয়েছে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের ফাঁসি হয়েছে। কিন্তু পরাজয়ের মুহূর্তে বুদ্ধিজীবীদের কেন হত্যা করা হলো তার তথ্য প্রমাণ আমি পাইনি। এসংক্রান্ত রায়ে এবিষয়ে কনক্লুসিভ কিছু আছে বলে আমি জানি না। নিজামী ও মুজাহিদের রায়ে বিশদ থাকা উচিত। মঈনুদ্দিন ও আশরাফের রায়ে আছে কি না জানি না। বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি করতে ইসলামী ছাত্র সংঘ এই হত্যাকাণ্ড এক্সিকিউট করে বলে আমার ধারণা। হত্যাকাণ্ডের শিকার সবাই মুক্তবুদ্ধির লোক।

ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে কালচারালি কাউন্টার করার ক্ষমতা তাদের ছিলো বলে জামায়াতে ইসলামী মনে করে থাকতে পারে। স্বাধীন বাংলাদেশকে আরেকটি পাকিস্তান বানানোর ওপেনিং শটটা আমার মনে হয় ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১। তাই এই হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে আরো কাজ করা দরকার। বাংলাদেশের মতো একটি আমলাতান্ত্রিক দেশে ব্যক্তির পক্ষে এই কাজটি করা মোটামুটি অসম্ভব। আমি সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ