শিরোনাম
◈ সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের নির্দেশ ◈ দেশভাগের ৭৯ বছর পর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাল ভারত ◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না

প্রকাশিত : ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল
আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজী নাসিরুদ্দীন আহমেদ: বাংলাদেশকে আরেকটি পাকিস্তান বানানোর ওপেনিং শটটা ছিলো ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

গাজী নাসিরুদ্দীন আহমেদ: যুদ্ধাপরাধী অনেকের বিচার হয়েছে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের ফাঁসি হয়েছে। কিন্তু পরাজয়ের মুহূর্তে বুদ্ধিজীবীদের কেন হত্যা করা হলো তার তথ্য প্রমাণ আমি পাইনি। এসংক্রান্ত রায়ে এবিষয়ে কনক্লুসিভ কিছু আছে বলে আমি জানি না। নিজামী ও মুজাহিদের রায়ে বিশদ থাকা উচিত। মঈনুদ্দিন ও আশরাফের রায়ে আছে কি না জানি না। বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি করতে ইসলামী ছাত্র সংঘ এই হত্যাকাণ্ড এক্সিকিউট করে বলে আমার ধারণা। হত্যাকাণ্ডের শিকার সবাই মুক্তবুদ্ধির লোক।

ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে কালচারালি কাউন্টার করার ক্ষমতা তাদের ছিলো বলে জামায়াতে ইসলামী মনে করে থাকতে পারে। স্বাধীন বাংলাদেশকে আরেকটি পাকিস্তান বানানোর ওপেনিং শটটা আমার মনে হয় ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১। তাই এই হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে আরো কাজ করা দরকার। বাংলাদেশের মতো একটি আমলাতান্ত্রিক দেশে ব্যক্তির পক্ষে এই কাজটি করা মোটামুটি অসম্ভব। আমি সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ