প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এয়ারপোর্টে হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী ব্যবসায়ীদের

ওবায়দুল হক: [২] সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন আবির দুবাইয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধের দাবীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।

[৩] মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো এক স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দরা এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

[৪] স্মারকলিপিতে বিজনেস এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টগুলোতে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হয়রানি এতো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

[৫] তারা বলেন, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা চেঞ্জ এবং ভিজিটে আসা ব্যক্তিদের শ্রমিক ভিসা লাগানোর সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভিসা বন্ধ এবং করোনা পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এই সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা আমিরাতের বিভিন্ন শহরে ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান খোলে প্রচুর বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে কিছু অসাধু অফিসারের কারণে আজ আমিরাত সরকারের দেয়া সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। অসাধু কর্মকর্তার এহেন আচরণ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমাদের ধারণা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম রপ্তানিকারক তৃতীয় কোনো দেশের ইন্দনে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টগুলোতে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠিত হয়েছে। ফলে, বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য রেমিটেন্স যোদ্ধাদেব এখন নিজ দেশে অপরাধীর মতো আচরণ করা হচ্ছে। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছি। অন্যতায় আরব আমিরাতে বর্তমানে যেসব ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করেছেন তাদের নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

[৬] স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার ওসমান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ্ব ইয়াকুব সৈনিক। সংগঠনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফিউল আজম, সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনুর রশিদ। সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম। অর্থ উপদেষ্টা কে কে দে বিপ্লব । দিদারুল আলম, বাংলাদেশ সমিতি দুবাইয়ের সদস্য সচিব নাসের রেজা খান, কমিউনিটি নেতা মাজাহারুল্লা মিয়া, দুবাই বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন টেক্সটাইলের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জাকির হোসাইন, এশিয়ান গ্রুপের ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আজিম, আজমান বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহিম প্রমূখ। সংবাদ সম্মেলন শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাইয়ের কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসেন খান ও ডেপুটি কনসাল জেনারেল শাহেদুল ইসলাম এর হাতে তুলে দেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত