শিরোনাম
◈ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় জোট শরিকরা ◈ পিনাকী ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ ◈ নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিনেই চার জেলায় হামলা সংঘর্ষ, আহত ২০ (ভিডিও) ◈ বেনাপোলের ভোলা ঢাকায় পিস্তল গুলিসহ গ্রেফতার ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিকসকে হুম‌কি ম‌নে কর‌ছেন ◈ কেউ কা‌রো দোষারোপ, করবে না, অথচ বিএনপি-জামায়াত প্রচারণা শুরু করলো একে অপ‌রের সমা‌লোচনা ক‌রে ◈ নির্বাচনী প্রচারণায় আজ পঞ্চগড়ে যাচ্ছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ◈ এক বছ‌রে রেকর্ড আয়ের শীর্ষে রিয়াল মা‌দ্রিদ ও বা‌র্সেলোনা  ◈ সিলেট থেকে নারায়ণগঞ্জ: ১৬ ঘণ্টায় সাত জেলায় টানা জনসমাবেশ শেষে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান ◈ বকেয়া ২৬ কোটি ডলার পরিশোধ না করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সদস্যপদ ত্যাগ করলো যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৫ সকাল
আপডেট : ২২ নভেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইমামকে পিটিয়ে হত্যা: নারীর যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] জেলার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রোববার (২২ নভেম্বর) সকালে এ রায় দেন। এ সময় দুই আসামি এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

[৩] সাজাপ্রাপ্ত নারীর নাম ময়না আক্তার । একই মামলায় ময়নার ভাই মনির হোসেনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া ময়নাকে ২ লাখ ও মনিরকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করেছেন আদালত।

[৪] মামলার বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাই পূর্ব বরাটি গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান কুলিয়ারচর উপজেলার উসমানপুর এলাকায় একটি মসজিদে ইমামতি করতেন।

[৫] ২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট রাত তিনটার দিকে কুলিয়ারচর উপজেলার উসমানপুর এলাকায় বাজরা-চৌমুড়ি পাকা রাস্তার পাশ থেকে হাফেজ মিজানুর রহমান মিজান নামে ওই ইমামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

[৬] এ ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই মো. নূরুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে কুলিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ কোনাপাড়া গ্রামের প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী ময়না আক্তার ও তার ভাই মনির হোসেনকে আটক করে।

[৭] ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল এ দুজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কোহিনূর মিয়া।

[৮] অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী ময়নাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান ইমাম মিজানুর রহমান মিজান। এ সময় ময়না তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ভাই মনির হোসেনের সহায়তায় ইমামের লাশ বস্তায় ভরে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যান।

[৯] আদালতে দীর্ঘ শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট যজ্ঞেশ্বর রায় ও আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল কুদ্দুস মামলা পরিচালনা করেন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়