শিরোনাম
◈ মিত্র হারিয়ে কোণঠাসা খামেনি: ভেনেজুয়েলা থেকে তেহরান—ইরানের শাসন কি শেষ অধ্যায়ে? ◈ নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের ছোবল, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান বিগ ব‌্যাশ, রিশাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শীর্ষস্থানে হোবার্ট ◈ যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, প্রতিক্রিয়ায় যা জানাল ভারত (ভিডিও) ◈ টানা ছয় হার কাটিয়ে জয়ের মুখ দেখল নোয়াখালী এক্সপ্রেস ◈ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা না চাওয়ায় যা বলল ভারত ◈ তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত ◈ ভারমুক্ত হলেন তারেক রহমান, দায়িত্ব পেলেন চেয়ারম্যান পদের ◈ সিআরআইয়ের মাধ্যমে ‘মুজিব ভাই’ সিনেমায় ব্যয় করা হয়েছে ৪২১১ কোটি ◈ উত্তেজনা চরমে বাংলাদেশকে নতুন বার্তা ভারতের

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২০, ০৮:৪৮ সকাল
আপডেট : ২১ নভেম্বর, ২০২০, ০৮:৪৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ১৮ কোটি টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্প-ডাক টিকিট ও কোর্ট ফি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ জন

সুজন কৈরী : [২]  রাজধানীর পল্টন ও আশুলিয়া এলাকায় জাল স্ট্যাম্প, ডাক টিকিট, কোর্ট ফি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা রমনা বিভাগ। এ সময় ১৮ কোটি টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্প, ডাক টিকিট ও কোর্ট ফি জাল স্ট্যাম্প তৈরির ব্যবহৃত ১টি কম্পিউটার, ১টি প্রিন্টার, ২ বড় ইলেক্টিক সেলাই মেশিন, ১টি লোহার সেলাই মেশিন জব্দ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[৩] গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশরাফুজ্জামান ওরফে আকাশ (৪৫), মোরসালিন সরদার সোহেল (৩০), রনি শেখ (২৫) ও আব্দুল আজিজ (২৩)। শনিবার সকাল ১১ টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা রমনা বিভাগের রমনা জোনাল টিম।

[৪] ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তাকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জাল স্ট্যাম্প তৈরি করে ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন। পলাতক অভিযুক্ত মনির মোল্লা ও সাকিবসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তির সহায়তায় তারা এই কাজ করছিলেন। প্রতি পাতা জাল স্ট্যাম্প তৈরিতে ১৫ থেকে ১৬ টাকা খরচ হয় এবং ২৫ থেকে ৩০ টাকায় তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে বলে গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।

[৫] জাল স্ট্যাম্পগুলো উদ্ধার না হলে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারতো উল্লেখ করে হাফিজ আক্তার বলেন, সাধারণ স্ট্যাম্পগুলোর মধ্যে তারা উদ্ধারকৃত জাল স্ট্যাম্পগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢুকিয়ে ব্যবহার করা হতো। এতে করে সরকার বড় অংকের রাজস্ব হারাতো।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়