প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে জুমার নামাজ শেষে সম্মিলিত ইসলামিক দলের সমাবেশ

শিমুল মাহমুদ: [২] শুক্রবার বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা ধর্ষণের সাজা মৃতুদণ্ড করায় প্রতিক্রিয়া জানান। তারা মনে করেন, এ সাজা কার্যকর করা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে। বিশেষ করে ন্যায় বিচারের জন্য এটি বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।

[৩] সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ফয়জুর রহমান বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে, আইন প্রণয়নও হয়েছে কিন্তু অপপ্রয়োগ যেনো না হয়। তিনি বলেন, এ দেশে নারী নির্যাতন আইন খুব কঠোর। কিন্তু গবেষণায় দেখা যায়, ৯০ শতাংশ নারী নির্যাতন মামলা হয়রানির জন্য করা হয়েছে।

[৪] তিনি বলেন, ধর্ষণ মামলায় তিন মাসে জামিন হবে না। তাহলে ব্যভিচারের কি হবে? অবৈধ সম্পর্কের কি হবে? আপনারা আইন করে ধর্ষণ বন্ধ করবেন? দেশে চুরির কি আইন নাই? চুরি বন্ধ হয়েছে? ঘুষের আইন নাই? বন্ধ হয়েছে? খুনের আইন নাই, খুন বন্ধ হয়েছে? হবে না। সম্ভব নয় যতোক্ষণ চরিত্র গঠন না করবেন। এজন্য চরিত্র গঠনের ব্যবস্থা করেন। আজকে নারীদের ওড়না খুলে দিবেন আর আপনি ধর্ষণ মুক্ত করবেন এটা সম্ভব নয়।

[৫] সমাবেশে সম্মিলিত ইসলামিক দলের সমন্বয়ক মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমি বলেছেন, সরকার যদি দেশে খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপকর্ম বন্ধ করতে না পারে তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো। সরকার নানাভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এর থেকে উত্তরণের জন্য সকল দলের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার আহ্বান জানান কাসেমি।

[৬] নূর হোসাইন কাসেমি আরও বলেন, সারাদেশ ধর্ষণের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। যারা এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তারা সরকারি দলের বিভিন্ন পদ-পদবি বহন করে। এ সময় ধর্ষণ প্রতিরোধে তিনি সরকারের কাছে ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন। সম্পাদনা: রায়হান রাজীব/সারোয়ার জাহান

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত