শিরোনাম
◈ নতুন পাঁচজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন? ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব ◈ ইতালির তৃতীয় বিভাগ ক্লাব রাভেনা এফসির অংশীদার হলেন রোনালদিনহো ◈ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা ◈ ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন কঠিন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি তরুণদের স্বপ্ন ◈ বিমান থেকে সরানো হচ্ছে আফরোজাকে, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণালয় ◈ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক সামরিক জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে যা বলছে ভারত ◈ রাজস্থানে ককরোচ পার্টির ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:২৮ সকাল
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজারবাইজানের সামরিক অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছেন জার্মানির ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল

ডেস্ক রিপোর্ট: কারাবাখে আজারবাইজানের সামরিক অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছেন জার্মানির ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল।

৩১ বছর বয়সী আর্সেনালের মিডফিল্ডার ওজিল এক টুইটে তুরস্ক ও আজারবাইজানের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও দৃঢ় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, এক জাতি, দুই দেশ।

আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে মন্তব্য করে তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মানি নাগরিক মেসুত ওজিল বলেন, আমার জন্য, বিশ্বের প্রত্যেককে এই সত্যটি জানা উচিত যে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের অংশ হিসাবে আইনত এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, তবুও এটি বর্তমানে অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে।

তিনি যোগ করেন, ২০০৮ সালের মার্চ মাসে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আজারবাইজানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধার এবং সব আর্মেনিয়ান বাহিনী প্রত্যাহারের দাবিতে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়