শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবরোধ নিয়ে অচলাবস্থা, আলোচনার জন্য পাকিস্তানের চাপ ◈ আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমেছে, লোডশেডিং আরও বাড়ার আশঙ্কা ◈ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, তুই দাঁতাল, তোর দাঁত থাকবে না: ডাকসু নেতাকে হুমকির অভিযোগ ◈ তিন কারণে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ◈ বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং, সমাধান কোন পথে ◈ জার্মান কা‌পের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ ◈ গুপ্ত' ইস্যুতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, পুরোনো সংস্কৃতিই কি ফিরছে শিক্ষাঙ্গনে? ◈ পাসপোর্ট জটিলতায় উদ্বেগ: প্রবাসীদের দুর্ভোগে সরকারের হস্তক্ষেপ চান জামায়াত আমির ◈ দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, আজ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম যা জানাগেল ◈ ভারতের দর্শকরা ফুটবল বিশ্বকাপ দেখ‌তে পাবেন তো? সম্প্রচারকারী সংস্থা গু‌লোর অনাগ্রহ 

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:৫৪ সকাল
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সোনারগাঁও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডে রাস্তার অভাবে দুর্ভোগ জনজীবনে

শাহ জালাল: [২] সোনারগাঁও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের ছোটশীলমান্দি গ্রামের রাস্তাটি দীর্ঘ দিন থেকে অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত। দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছরেও কোনো উন্নয়ন বা সংস্কার হয়নি বলে অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের।

[৩] ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এবং উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন তথা মোগড়াপাড়া, সনমান্দি ও পৌরসভার সংযোগ সড়ক হওয়ায় সড়কটি অন্তত ১০-১২টি গ্রামের মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন। তাছাড়া ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে নতুন নতুন শিল্প কারখানা ও শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠায় মানুষের যাতায়াত বেড়েছে বহুগুন কিন্তু রাস্তাটি এখনো কাঁচা হওয়ায় কোনো প্রকার যানবাহন এমনকি রিকশাও চলাচল করতে পারেনা। বর্ষাকালে রাস্তা ব্যবহারকারীদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় বিভিন্ন অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়ে পানি জমে থাকে। তখন হাটা চলারও জো থাকে না।

[৪] ছোটশীলমান্দি গ্রামের বাসিন্দা হাফেজ মোক্তার হোসেন বলেন, রাস্তা না থাকায় প্রতিদিনই অনেক ভোগান্তি হয়। বাজার সদাই এমনকি ছোটখাটো মালামাল আনতেই অনেক কষ্ট করতে হয়।

[৫] গ্রামের বাসিন্দা মোখলেসুর রহমান বলেন, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়, কেউ অসুস্থ হলে। হাসপাতালে নেওয়ারও কোনো উপায় নেই। রোগীকে পাজাকোলে করে অথবা হেটে মুল রাস্তায় নিয়ে যেতে হয়। অথচ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযুক্ত এই সড়কটি। জনপ্রতিনিধিদের অবহেলার কারনে এত বছরেও এই রাস্তাটি পাকা হয়নি।

[৬] গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক আকতার হাবিব বলেন, ছোটশীলমান্দির এই রাস্তাটির র্দৈঘ্য প্রায় দের কিলোমিটার। বৃটিশ আমল থেকেই রাস্তাটি সরকারি হালট রয়েছে প্রায় ১২ ফুটের বেশি। ২০০১ সালে সর্বশেষ রাস্তাটিতে মাটি ভরাট করা হয় এরপর এত বছরেও আর কোন উন্নয়ন বা সংস্কার কাজ হয়নি। এক রাস্তার কারনে আটকে আছে সব উন্নয়ন কাজ।

[৭] দোকানদার, জুয়েল মিয়া বলেন, রাস্তা না থাকার কারনে দিন দিন অনেকেই বাড়ি বিক্রি করে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। গ্রামের একটি অংশের প্রায় অর্ধেক বাড়ি ঘর ও জনসংখ্যা কমে গেছে। চৈতি কম্পোজিট নামের শিল্প কারখানার কাছে বাড়ি বিক্রি করে অনেকেই দেশান্তরি হতে বাধ্য হয়েছে।

[৮] গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা পৌরসভার ভোটার হিসেবে সব সময় নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে আসছি। অথচ আমরা কোন নাগরিক সুবিধাই পাইনা। অতীতে বহুবার পৌরসভার মেয়রসহ স্থানীয় এমপি রাস্তাটি করে দিবেন বলে কথা দিয়েছেন। কিন্তু কথা কাজের বাস্তবায়ন হয়নি। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়