শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়ছে, বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা সরকারের অগ্রাধিকার ◈ খামেনির উত্তরাধিকার: ছেলে মোজতবা হয়ে গেলেন ইরানের লিডার ◈ কোথায় দাফন করা হবে খামেনির মরদেহ, যা জানা গেল ◈ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল ◈ হরমুজ প্রণালীর কাছে ঝুঁকিতে ৪ বাংলাদেশি জাহাজ, গতি কমানোর নির্দেশ ◈ ইসরায়েলকে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট: এবার ইরানের পাশে কিম জং উন, ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার ঘোষণা ◈ তেলের দাম দ্রুতই ২০০ ডলারে পৌঁছাবে, হুঁশিয়ারি ইরানের ◈ মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকায়, কৌশলগত অংশীদারিত্বে জোর ◈ আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব ◈ খামেনি হত্যার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেকশিয়ানের কার্যালয়ে ইসরাইলের হামলা

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:০১ সকাল
আপডেট : ০২ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘রোহিঙ্গা ছবিতে আমাকে অভিনয় করতে হয়নি’, বললেন আরশি হোসেন

ইমরুল শাহেদ : পরিচালক অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড সম্প্রতি মুক্তি প্রতিক্ষীত রোহিঙ্গা ছবির একটি প্রস্তাবিত পোস্টার ডিজাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন। তাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিভূ ‘আসিয়া’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরশি হোসেন। তাকে প্রধান করেই পোস্টার ডিজাইনটি করা হয়েছে। পোস্টার ডিজাইনটি প্রকাশিত হওয়ার পর চলচ্চিত্রশিল্প সংশ্লিষ্টরা একটু নড়েচড়েই উঠেন বলে বলা যায়। আলোচনায় চলে আসেন আরশি হোসেন।

চলচ্চিত্রশিল্পের কেউ কেউ ইতোমধ্যেই বলতে শুরু করেছেন, বর্তমান পারফর্মার সংকটে আরশিও হতে পারেন নির্ভরশীল একজন তারকা। রোহিঙ্গা ছবির প্রধান চরিত্র হিসেবে কেমন করেছেন আরশি হোসেন জানতে চাওয়া হয়েছিল অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের কাছে। তিনি বলেন, ‘আধুনিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত একটি মেয়ে বিতাড়িত একটি জনগোষ্ঠীর প্রতিধিত্বশীল একটি চরিত্রে এতোটা ভালো করবেন সেটা আমি আশা করিনি। তাকে তার আচরণবিধি পুরোপুরি বদলে নিতে হয়েছে। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিশে যেতে হয়েছে। তাদের ভাষায় কথা বলেত হয়েছে।’

এরপর অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের কাছে জানতে চাওয়া হলো তার সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে আসিয়া চরিত্রের অবস্থান কি? তিনি বলেন, ‘আসিয়া নি:সন্দেহে একটি অনন্য চরিত্র। আমার নাচোলের রাণী ছবির চরিত্রটিও অসাধারণ। দুটি ছবি দুই প্রেক্ষাপটের। তবে রোহিঙ্গা আন্তর্জাতিক ইস্যু হিসেবে গুরুত্বটাও ভিন্ন। সেক্ষেত্রে আসিয়া শুধু আমাদের নয়, আসিয়া আন্তর্জাতিকও।’ এই চরিত্রটি নিয়ে আরশি হোসেন বলেন, ‘পারফর্মার হিসেবে আমার সক্ষমতা নিয়ে কথা বলতে চাইনা। তবে রাষ্ট্রহীন একটি জনগোষ্ঠী, অন্য দেশে শরণার্থী - তাদের এই অসহায়ত্ব, আমাকে ব্যক্তিগতভাবেই মানসিকভাবে দূর্বল করে ফেলেছে। তাদের দু:খ-দুর্দশা দেখে সত্যিকার অর্থে আমি নিজেই হতভম্ব হয়ে গেছি।

ফলে আমাকে আর অভিনয় করতে হয়নি। ডায়মন্ড ভাই যা বলেছেন আমি কেবল সেটাই করে গেছি।’ এর আগে আরশি হোসেন আরো দুটি ছবিতে কাজ করেছেন - সত্যিকারের মানুষ এবং বাজে ছেলে দি লোফার। সে সব ছবিতে তার চরিত্র ছিল গৎবাঁধা ফর্মূলাভিত্তিক আর দশটা বাণিজ্যিক ছবির মতই। রোহিঙ্গার চরিত্রটিই তার জন্য ব্যতিক্রম। অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতে যা বুঝাতে চেয়েছেন, সেটা হলো আসিয়া চরিত্রটিও জনগুন, নবিতুন, গোলাপী চরিত্রের পাশাপাশি একটি অনন্য চরিত্র হয়ে উঠতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়