শিরোনাম
◈ হাদিকে হত্যা জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে: দাবি অভিযুক্ত ফয়সালের ◈ একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব ◈ ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জেলায় দুর্ঘটনায় নিহত ৩৪, আহত শতাধিক ◈ এক শ্রেণির মানুষ বিএনপির বিরুদ্ধে অবান্তর কথা ও মিথ্যাচার করছে: রিজভী ◈ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ, তদন্ত ও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ শত্রুর জন্য আসছে নতুন ‘চমক’: ইরানের হুঁশিয়ারি ◈ বাহরাইনে বড় হামলাটি ‌‌‘ইরান নয় যুক্তরাষ্ট্রই চালিয়েছিল’, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ জিয়া পরিবারের চেয়ে নির্যাতিত বাংলাদেশে কেউ ছিল না: আইনমন্ত্রী ◈ বিয়ের গহনা বহনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান ◈ যুদ্ধের প্রভাব: চট্টগ্রামে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা, ২৩ দিনে ২৫ জাহাজ পৌঁছেছে, পথে আরও ২টি

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:৩২ সকাল
আপডেট : ০২ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:৩২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এ রায় বিশ্বে প্রমাণ করেছে, ভারতে ন্যায়বিচার নেই: মাহমুদ মাদানী

ডেস্ক রিপোর্ট: বাবরি মসজিদে হামলাকারীদের রহস্যজনকভাবে বেকসুর খালাস করে দেয়া একটি ফ্যাসিবাদী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ মাদানী।

আদালতের এ রায়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর প্রতীক্ষার পরে বিশেষ সিবিআই আদালত বাবরি মসজিদে হামলায় জড়িত দোষীদের বিচারের আওতায় না এনে আশ্চর্যজনকভাবে খালাস করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত করুণ এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

ভারতীয় মুসলমানদের সামাজিক সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সিনিয়র এই নেতা আরও বলেন, সিবিআই আদালতের এই রায়ে যেভাবে প্রমাণ ও সত্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে এবং দোষীদের লজ্জাজনক ও অপরাধমূলক কর্ম প্রকাশ্যে আসার পরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিয়ে তাদেরকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে, এর নজির আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই না।

মাহমুদ মাদানী বলেন, এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব দরবারে প্রমাণ করেছে, ভারতে ন্যায়বিচার নেই। এটি বর্তমানে আদালতের স্বাধীনতার ওপরও প্রশ্ন উত্থাপন করে।

বাবরি মসজিদে হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়া অপরাধীদেরকে আরও উৎসাহ যোগাবে এবং সংখ্যালঘুদের মনে শঙ্কা ও আদালতের প্রতি তাদের অনাস্থা তৈরি করবে।

মাহমুদ মাদানি বলেন, সিবিআইয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হবে এবং দেশের সাধারণ স্বার্থ এবং ন্যায়বিচারের নীতিমালা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্তের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হবে তার ক্ষতিপূরণও চাওয়া হবে।

১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থকরা বাবরি মসজিদে হামলা চালাতে উস্কানিমূলক ভূমিকা রেখেছিল এবং মুসলমানদের ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদটিতে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছিল।

যার প্রমাণ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে এখনও সংরক্ষিত আছে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত সব আসামিকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে ভারতের বিশেষ আদালত। কট্টর হিন্দুদের দ্বারা ধ্বংস হওয়া বাবরি মসজিদের প্রায় তিন দশক পর মামলার এই রায় ঘোষণা করা হয়।যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়