প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সত্যিই সেলুকাস : প্রিয় তারকার ডাকে কোমা থেকে জাগলেন তরুণী!

ডেস্ক রিপোর্ট : দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কোমায় চলে গেছে নায়িকা। পড়ে আছে হাসপাতালের বেডে। এদিকে ভিলেনদের মেরেকেটে শেষ করে সাত সমুদ্র তেরো নদী পাড়ি দিয়ে নায়ক চলে এলো নায়িকার কাছে। তার আবেগঘন ডাকে কোমা থেকে জেগে উঠল নায়িকা! এটা খুব পরিচিত সিনেমার দৃশ্য। কিন্তু এই ঘটনা যদি বাস্তবে ঘটে তাহলে পাঠকরা নিশ্চয়ই অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাবেন। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, বাস্তবের এই ঘটনার নায়ক ফুটবল তারকা ফ্রান্সিসকো টট্টি আর নায়িকা ইলেনিয়া মাতিয়ি।

ইতালির সংবাদমাধ্যম লা রিপাবলিকা জানায়, ১৯ বছর বয়সী ইলেনিয়া মাতিয়ি ইতালিয়ান ক্লাব রোমার বড় ভক্ত। রোমার কিংবদন্তি টট্টিকে তিনি দেবতুল্য জ্ঞান করেন। লাৎসিও নারী দলের হয়ে তিনি অনেকদিন ধরেই ফুটবল খেলছিলেন। কিন্তু তার জীবন পাল্টে যায় একটি দুর্ঘটনায়। ইলেনিয়া সেদিন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে রাত ২টায় গাড়িতে করে বাসায় ফিরছিলেন। গাড়ি চালাচ্ছিলেন বন্ধু মার্টিনা ওরো। হঠাৎ একটা গাছের সঙ্গে গাড়িটার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান মার্টিনা। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ইলেনিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয় রোমের গেমেলি হাসপাতালে।

মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগায় ইলেনিয়া কোমা চলে গিয়েছিলেন। বাঁচার সম্ভাবনা দিন দিন কমছিল। মেয়েকে বাঁচাতে সবকিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন তার বাবা-মা। সব চেষ্টা যখন ব্যর্থ হওয়ার পথে, তখন তারা ধর্ণা দেন ইলেনিয়ার প্রিয় ফুটবলার ফ্রান্সিসকো টট্টির কাছে।সবকিছু শুনে ভক্তের জন্য একটা ভিডিওবার্তা রেকর্ড করে পাঠান টট্টি। ভক্তকে শুভকামনা জানিয়ে বলেন, ‘হাল ছেড়ো না ইলেনিয়া। আমরা জানি তুমি পারবে, আবারও সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে আমাদের মাঝে। আমরা সবাই তোমার সঙ্গেই আছি।’

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, সেই ভিডিওবার্তা শোনার পরেই কোমা থেকে জেগে ওঠেন ইলেনিয়া! এ যেন সিনেমার কাহিনী! মেয়েকে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে পেয়ে বাবা-মায়ের আনন্দ আর ধরে না। প্রিয় তারকা টট্টিকে তারা এজন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তারা বলেছেন, ‘ফ্রান্সিসকো, তোমার অসাধারণ কণ্ঠস্বর, আবেগী বার্তা, ইলেনিয়ার প্রতি তোমার ভালোবাসা ওকে জাগিয়ে তুলেছে। ওর মুখে আবারও ওই হাসি ফিরে এসেছে। ওর চোখেমুখে আবারও ফিরে এসেছে সেই দ্যুতি। আশা করছি তোমার সঙ্গে দেখা করতে পারব। ইলেনিয়া তোমার অপেক্ষায় আছে!’
সূত্র- কালেরকণ্ঠ

 

সর্বাধিক পঠিত