প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুশ্চিন্তায় প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি উদ্ভাবিত করোনার সম্ভাব্য টিকার ট্রায়াল স্থগিত হয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে আমরা আশাবাদী হয়েছিলাম। কিন্তু পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গেল অসুস্থ হয়ে পড়লো। আমরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে গেছি। তারপরও আমাদের প্রচেষ্টা আছে। যেখানেই আবিষ্কার হোক, আমাদের দেশের মানুষের জন্য তা সংগ্রহ করতে পারবো। এই বিষয়ে আমরা যথেষ্ট সচেতন। গতকাল জাতীয় সংসদের অধিবেশন সমাপনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষকে করোনা থেকে মুক্ত করার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেয়া দরকার তা নেয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ নেতা বলেন, ভ্যাক্সিনের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশ গবেষণা করছে। অনেক দেশের কাছে আমরা শুনছি। সব দেশেই আমরা আবেদন দিয়ে রেখেছি। এর জন্য টাকাও বরাদ্দ করে রেখেছি। যেখান থেকে আগে পাওয়া যায় আমরা সেটা নেবো। এ ভাইরাস মোকাবিলায় সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে, আমরা যেন এই দুর্যোগের সময়টা পার করতে পারি। ইনশাআল্লাহ্‌ আমরা এটা পার করতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা এমন একটি ভাইরাস যা চোখে দেখা যায় না। কিন্তু সারাবিশ্বকে একেবারে স্থবির করে দিয়েছে। বাংলাদেশে যখন এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সকলে এটি মোকাবিলায় একযোগে কাজ করছে। প্রশাসন, আমাদের রাজনৈতিক কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছি বলেই মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। যতদূর সম্ভব আমরা সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। করোনার কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ছিলো না, তারপরও যে যেভাবে পেরেছি সহায়তা করেছি। করোনাকালে চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রধান বলেন, মানুষকে চিকিৎসা সেবা যাতে দিতে পারি তার জন্য হাসপাতাল প্রস্তুত করা, চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়সহ সব ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। এজন্য পানির মতো টাকা খরচ হয়েছে। আমরা টাকা-পয়সার দিকে তাকাইনি। এখানে হয়তো কেউ খুঁজে খুঁজে দুর্নীতি দেখতে পারে। যে মুহূর্তে এ ধরনের একটি দুর্যোগ মোকাবিলার চিন্তা করতে হয়েছিল, তখন টাকা-পয়সা কী হবে? কত খরচ হলো, কতটুকু লস তা বিবেচ্য ছিল না।

তিনি বলেন, আমাদের বিবেচ্য ছিল দেশের মানুষকে বাঁচানো, রক্ষা করা। কীভাবে মানুষকে রক্ষা করবো সেই ব্যবস্থাটা নেয়ার চিন্তা ছিল। আর সেটা করেছি বলেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। যেখানে এখনো বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খাচ্ছে। আমাদের দেশের মতো ঘনবসতির দেশে এই কাজগুলো করা অত্যন্ত কঠিন। উন্নত বিশ্বে এই সমস্যাটা ছিল না। তিনি বলেন, করোনার কারণে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কী হবে? কি কি সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই বিষয়ে আমরা সজাগ ছিলাম। এজন্য আমরা শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নেই, যথাযথ ব্যবস্থা নেই। দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় সেই জন্য অনেক পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়েছি। এই ভাইরাস মোকাবেলায় চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী প্রত্যেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন, মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই করোনা মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে যে প্রচেষ্টা চালিয়েছি, এজন্যই আমরা মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। আমরা কিন্তু খরচের দিকে তাকাইনি। মানুষকে যাতে চিকিৎসা সেবা যাতে দিতে পারি সেই ব্যবস্থা, যা যা প্রয়োজন আমরা সেটা করা এবং দেয়ার চেষ্টা করছি।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমের সমালোচনার আগে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাপনী ভাষণে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের-এর বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা সমালোচনা করবো। কিন্তু যারা কাজ করে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও দেখতে হবে। মানুষ বিপদে পড়লে পুলিশকে আগে ডাকে। এমন কিছু না করা যাতে তারা ভয়ে ভীত হয়, তাদের কাজের উৎসাহটা নষ্ট না হয়। সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা মাথায় রাখতে হবে। জাতীয় পার্টির অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড জিয়াউর রহমানের আমল থেকে শুরু হয়েছে। আমাদের বহু নেতা-কর্মীর লাশ পাওয়া যায়নি। তারপরে একেবারে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হলো। সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। কীভাবে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করবো, আমরা সেই চেষ্টা করছি। পাশাপাশি আমাদের মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সন্ত্রাস নির্মূল করতে হবে। জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কথা মতো কাজ করে যাচ্ছে। তারা যথেষ্ট সফলতা অর্জন করেছে। তারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এটা করছে। সেগুলো করতে গিয়ে যদি কিছু দুর্ঘটনা ঘটে, এটা খুব অস্বাভাবিক নয়, ঘটে। তবে আমরা কাউকে ছেড়ে দিচ্ছি না। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। বিরোধীদলীয় উপনেতার দেয়া স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি বিষয়ক বক্তব্যের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, বিরোধীদলের বক্তা একটি চেয়ারের কথা বলেছেন। সেটি একটি চেয়ার নয়, একটি ইউনিট। বেশ কয়েকটি চেয়ার নিয়ে ইউনিট হয়। আর দুধের যে থার্মোমিটারের কথা বলছেন, সেটা থার্মোমিটার নয় সেটি একটি ল্যাবরেটরি। দুধের কোয়ালিটি কী থাকবে, তার জন্যই ল্যাবরেটরি তৈরি করতে যাচ্ছি। ল্যাবরেটরির দাম ধরা হয়েছে, থার্মোমিটারের নয়। তার জন্য এই দামটা। কাজেই আমি বলবো, যখন কোনও অভিযোগ আনা হয় তথ্যগুলো ভালো করে নিয়ে এলে ভালো হয়।

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে গ্যাস বিস্ফোরণের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারায়গণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে দুর্ঘটনাকবলিত মসজিদটি গ্যাসপাইপ লাইনের উপর নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই স্থানে মসজিদ নির্মাণে কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতিও ছিল না। ভবিষ্যতে কোনো স্থাপনা নির্মাণে নীতিমালা মেনে করারও আহ্বান জানান সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। এ ঘটনা সত্যিই খুব দুঃখজনক। অত্যন্ত দুঃখজনক আরো এজন্য যে, মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল এমন একটি জায়গায়, যেখানে গ্যাসলাইন ছিল তার উপর। মসজিদ নির্মাণের কোনো অনুমোদন ছিল না, কোনো নীতিমালাও ছিল না। এভাবে অননুমোদিত ও অপরিকল্পিতভাবে করার ফলে আজ এ দুর্ঘটনা ঘটে গেল। ভবিষ্যতে কেউ যদি কোনো স্থাপনা করে তাতে নীতিমালা মেনে করবেন, যাতে কোনো দুর্ঘটনায় আর এভাবে পড়তে না হয়। রাজধানীর সাপ্লাই পানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে জিএম কাদেরের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানির দাম যদি বেশি হয়, পানি কম ব্যবহার করেন। সীমিত আকারে ব্যবহার করেন, কোনো অপচয় করবেন না- তখন বিল অবশ্যই কম আসবে। আর ভালো জিনিস নিতে হলে তো একটু পয়সা দিয়ে নিতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, ঢাকা শহরে পানি সাপ্লাইয়ের অবস্থা কি ছিল? বিএনপি’র আমলে পানির জন্য হাহাকারের কথা সবাই জানে। এখন তো কাউকে পানি ওয়াসা থেকে কিনতে হয় না, বরং কয়েক বছরের মধ্যে চাহিদার চেয়েও আমরা বেশি পানি সাপ্লাই দিতে পারছি। পানি কিন্তু সবাই পাচ্ছে। আমরা পাইপ লাইনগুলো পরিবর্তন করছি। দুই-এক জায়গায় পানির সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে তাদের ব্যক্তিগত পানির লাইন সমস্যা থাকায় এমন হয়েছে। তাই প্রত্যেকের উচিত অন্তত ৬ মাস পর পর লাইনগুলো চেক করা, পানির ট্যাঙ্কিগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। কোথায় পদ্মা নদী, সেখান থেকে পানি এনে সেই পানি পরিশোধন করে আমরা সাপ্লাই দিচ্ছি। এই যে বিশাল কর্মযজ্ঞ, এর একটু প্রশংসাও করবেন। শুধু কয় টাকা খরচ হলো, আর কয় টাকা বেশি দিতে হলো- সেই হিসাব করলেতো হবে না। বিগত সরকারগুলোর সময়ের পানির জন্য হাহাকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, আগে যখন গাড়িতে করে পানি কিনতে হতো তখন কি অবস্থা ছিল? অথবা জেনারেটর চালিয়ে চালিয়ে পানি তুলতে হতো, তখন কত টাকা খরচ হতো? এসব বিষয়েও বিবেচনা করতে হবে, এখন তো গাড়ি দিয়ে পানি কিনতে হচ্ছে না। এখন তো একেবারে পিওর পানি পেয়ে যাচ্ছেন ঘরে বসে। আর সেই পানি ২৪ ঘণ্টাই ইচ্ছামতো ব্যবহার হচ্ছে। এক লিটার পানি পরিশোধন করতে কত টাকা লাগে সেটিও একটু খেয়াল রাখতে হবে। সংসদে বিরোধী দলের সরব উপস্থিতির জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পার্লামেন্টে যেসব বিল পাস হলো, এখানে কিন্তু আমাদের সরকার দলীয় কেউ কথা বলার সুযোগই পায়নি। একমাত্র বিরোধী দলেরই এই পার্লামেন্ট ছিল এবং তারাই কথা বলে গেছে। তিনি বলেন, গত পাঁচদিন তাদের (বিরোধী দল) উপস্থিতিটা প্রতি মুহূর্তে আমরা টের পেয়েছি। শুধু একদিন আমরা যেহেতু আমাদের দু’জন সংসদ সদস্য মারা গেছেন, সেজন্য আমরা সেদিন আর পার্লামেন্ট চলেনি। কিন্তু তারপরে বিল পাসের সময় একমাত্র বিরোধী দলের দখলে পার্লামেন্ট- এবার এটাই বলতে হবে। প্রবাসী কর্মীদের পুনর্বাসনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কিন্তু বসে নেই। যাদের আনার কথা আমরা স্পেশাল প্লেন পাঠিয়েও তাদের নিয়ে এসেছি এবং লাশ কিন্তু সব সময় আনা হয়। আর এখন তো প্লেনে যাতায়াতই বন্ধ। সব দেশেই বন্ধ। কোনো দেশ তো প্লেন ল্যান্ড করতেও দেবে না। কাজেই সেখান থেকে আমরা আনবো কি করে? সেটাও তো দেখতে হবে। করোনার মধ্যেও সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তি প্রদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাঙ্গন বন্ধ থাকলেও আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে এক কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করেছি, ২ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি-উপবৃত্তি প্রদান করেছি। এছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের এক হাজার টাকা করে দেয়া হবে। যাতে করে তারা নতুন জামা-কাপড় কিনতে পারে। করোনার সময়ে দেশের মানুষকে রক্ষার পাশাপাশি অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে ২১টি প্যাকেজের বিপরীতে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু গার্মেন্টস শিল্পেই আমরা ১০ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দিয়েছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দেশের কোন মানুষ ভূমিহীন কিংবা গৃহহারা থাকবে না। এজন্যও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রেখেছি। তিনি বলেন, এতো বিশাল অংকের টাকা প্রণোদনা দিয়েছি এই কারণে যে, যাতে দেশের অর্থনীতির চাকা গতিশীল থাকে এবং দেশের কোনো মানুষ যাতে কষ্ট না পায়। কারণ দেশের মানুষকে নিয়েই আমাদের রাজনীতি। করোনার মধ্যেও আমরা বিশাল বাজেট দিয়েছি। করোনার কারণে সমস্যা তো আছেই, হয়তো বাজেটের সবকিছু বাস্তবায়ন নাও হতে পারে। কিন্তু প্রস্তুতি তো আমাদের রাখতে হবে। যেন সুযোগ পেলেই তা বাস্তবায়ন করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী করোনা মহামারির মধ্যে পরপর ঘূর্ণিঝড় আম্ফান, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপদ আসবে, আবার তা মোকাবিলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সেই প্রস্তুতি নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। বিপদে ভীত হলে চলবে না। বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা সেটা অব্যাহত রাখতে হবে। আমরা অনেক কর্মসূচি নিলেও করোনার কারণে মুজিব শতবর্ষের অনেক কর্মসূচি পালন করতে পারিনি। আমরা জনগণের সেবা করেই জাতির পিতার স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবো।

উৎসঃ মানবজমিন

সর্বাধিক পঠিত