প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিফ মাহবুব: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, কূটনৈতিক চালে ভুল করা চলবে না

আরিফ মাহবুব : ভারতকে ডিঙিয়ে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কটা কীভাবে দেখছে ভারত সেটা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা কল্পনা চলছে বিস্তর। কিছুদিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সফর নিয়ে বিবিসির একটি প্রতিবেদন ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সাক্ষাৎ নিয়ে কেন লুকোচুরি’ অথচ বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সাক্ষাতের বিষয়টিই স্বীকার না করায় জন মনে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বন্ধু তালিকায় চীনের নাম প্রথম সরিতে চলে এলে আশ্চর্য হবার মতো কোনো ঘটনা হবে বলে মনে হয় না।

চীন, ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকা লাদাখে দ্রুত বাহিনী এবং ট্যাঙ্ক, কামান পৌঁছে দিতে মানালি থেকে লেহ পর্যন্ত নতুন রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা করছে ভারত এই নতুন রাস্তা তৈরি হয়ে গেলেই শত্রুপক্ষের নজর এড়িয়েই লাদাখে পৌঁছে যেতে পারবে ভারতীয় সেনাদল। সীমান্ত নিয়ে চীনের সাথে ভারতের বর্তমান বৈরী সম্পর্কে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান কি সেটাও পরিষ্কার বোঝার উপায় নাই। যদিও ভারতীয় পত্রিকা সংবাদে প্রকাশ করেছে ‘দিল্লির স্বার্থ দেখবে ঢাকা, শ্রিংলাকে কথা দিলেন হাসিনা’। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিটি যখন এতোদিনেও সঠিক সমাধান হয়নি তবে চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্যারেজ তৈরি করতে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশ্বাস বাংলাদেশের জন্য সুখবর হলেও ভারতের সাথে দীর্ঘ দিনের সুসম্পর্কে একটি বিশাল ফাটল ধরতে যাচ্ছে বিষয়টি অনেকটাই সুনিশ্চিত। তিস্তা নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির কূটনীতিকরা বহুদিন যাবৎ বৈঠকের পর বৈঠক করলেও চীনের কাছ থেকে ১০০ কোটি কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশ^াসটি এখন ভারতের জন্য মাথা-ব্যথার কারণ, সব দিক ঠিক থাকলে ভারতকে বাংলাদেশে ট্রানজিট বিষয়টিও নতুনভাবে ভেবে দেখা উচিত, এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে আরও একবার ভেবে দেখা প্রয়োজন যে সুযোগ পেলেই ঘুঘু বারবার ধান খেয়ে যায় এবার অন্তত ধানের ঝাঁপিতে ঢাক না দেওয়ার প্রয়োজন।

আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী গত বছর সৌরভ গাঙ্গুলি ও নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে কলকাতায় গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানানো হয়নি, এটি কি কূটনৈতিক প্রথা ও সৌজন্য বিরোধী নয়? দিল্লি সব সময়ই কি শেখ হাসিনাকে এড়িয়ে চলছে, এবছরই প্রথম দেখতে পেলাম আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে দিল্লির মাথাব্যথাটা বেড়ে গেছে। কাজেই বাংলাদেশকে কোনোভাবেই কূটনৈতিক চালে ভুল করা চলবে না। ফেসবুক থেকে

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত